
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেছেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন।
রাশেদ খাঁন বলেন, অতীতে সরকারি দলের নেতাকর্মীদের বেপরোয়া আচরণ দেখা গেলেও এখন প্রধান বিরোধী দলের অবস্থানে থেকেই জামায়াত-শিবির বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে তিনি মনে করেন।
তার ভাষায়, “ক্ষমতায় না যেতেই যারা মজলুম থেকে জালিমে পরিণত হয়েছে, তারা কখনো ক্ষমতায় গেলে দেশটাকে জামায়াতে জাহেলিয়াত বানাবে।”
রাশেদ খাঁনের এই মন্তব্যের পেছনে সোমবার সকালে রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষের প্রসঙ্গ রয়েছে।
এদিন এস আলমের সময়ে নিয়োগ পাওয়া এবং পরবর্তীতে চাকরিচ্যুত ব্যক্তিরা চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। একই সময়ে সেখানে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর সদস্যরাও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছিলেন।
একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পরে উভয় পক্ষ একে অপরকে ধাওয়া করে। এতে দুই পক্ষের অন্তত অর্ধশত মানুষ আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহালের দাবিতে আয়োজিত কর্মসূচিতে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর ব্যানারে জামায়াত-শিবিরের লোকজন হামলা চালিয়েছে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, চাকরি হারানো ব্যক্তিরা তাদের অধিকার আদায়ে প্রতিবাদ করতে পারবেন না কেন।
রাশেদ খাঁনের দাবি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ইসলামী ব্যাংকের কিছু কর্মীকে চাকরিচ্যুত করে সেখানে জামায়াত-শিবিরের লোকজনকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। চাকরিচ্যুতরা চাকরি ফিরে পাওয়ার দাবিতে কর্মসূচি পালন করলে তাদের ওপর হামলা চালানোর অধিকার কেউ দেয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তবে ইসলামী ব্যাংকের সামনে সংঘর্ষে হামলার বিষয়ে রাশেদ খাঁনের অভিযোগের স্বতন্ত্র কোনো বক্তব্য বা প্রমাণ এ প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
সম্পাদকঃ মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ রাইসা কবির, বার্তা সম্পাদক : সেলিম রানা, সাহিত্য সম্পাদকঃ সিদরাতুল ইসলাম সায়মা। Address: 169, Gha-1, Sahadat Hossain Road, West Dholaipar, Dhaka-1204. Gmail: dainikbishawsongbad@gmail.com Mobile:
ই পেপার