
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে হাফিজুর রহমান নামে এক যুবককে মারধরের পর তার বাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মারধরের সময় জানালা ভেঙে পালানোর চেষ্টা করলে টিনের আঘাতে তার ডান হাত গুরুতর জখম হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার কিশোরপুর হাজামপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত হাফিজুরকে প্রথমে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য, ওই এলাকার এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে হাফিজুরের সম্পর্ক রয়েছে—এমন গুঞ্জন চলছিল। শুক্রবার রাতে ওই নারীর ঘরে হাফিজুর অবস্থান করছেন—এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে কয়েকজন সেখানে যান। পরে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
স্থানীয়দের দাবি, মারধরের একপর্যায়ে হাফিজুর জানালা ভেঙে বের হয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় টিনের সঙ্গে ধাক্কা লেগে তার ডান হাতে গুরুতর জখম হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এর কিছুক্ষণ পর হাফিজুরের বাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় লোকজন পানি দিয়ে আগুন নেভান। তবে আগুনে বাড়ির কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বাঘা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বজলুর রশিদ বলেন, এলাকাবাসীর কাছ থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে, ওই গৃহবধূর স্বামী বিদেশে থাকেন। হাফিজুর রাজশাহী শহরের একটি ক্লিনিকে চাকরি করেন এবং মাঝেমধ্যে ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন। শুক্রবার রাতে দুজনকে একই ঘরে অবস্থান করতে দেখার পরই ঘটনাটি ঘটে বলে স্থানীয়রা পুলিশকে জানিয়েছেন।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল হক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ঘটনার পর থেকে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা গেছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















