
দেশে প্রতিনিয়ত বাড়ছে অনুন্নয়ন ও পরিচালন ব্যয়ের চাপ। তাই প্রতি বছর কাগজে-কলমে বাজেটের আকার বাড়লেও হোঁচট খায় উন্নয়ন বরাদ্দ। শেষ পর্যন্ত অনেক প্রকল্প শুরু হয়ে শেষ হয় না। বরাদ্দ জোটে না অসংখ্য কর্মসূচির ভাগ্যে। ফলে প্রশ্ন থেকেই যায় বাজেটের গুণগত পরিবর্তন নিয়ে।
২০ বছর পর সরকারের দায়িত্ব বিএনপির কাঁধে, তাই আগামী বাজেটে উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আলাদা কিছু ভাবতে চান নীতিনির্ধারকরা। সে জন্য তৈরি হয়েছে একগুচ্ছ নতুন স্ট্র্যাটেজি।
চলতি জুনেই চলমান ৩১৪টি প্রকল্প শেষ করার ভাবনা সবার আগে। সেজন্য অর্থ বরাদ্দও দ্রুত করা হচ্ছে। ৮০টি প্রকল্প ছেড়ে দেওয়া হবে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) এর আওতায়। বাড়তি গুরুত্ব পাবে জলবায়ু পরিবর্তন। প্রকল্প তদারকিতে ব্যবহার হবে ডিজিটাল প্রজেক্ট প্রসেসিং সিস্টেম (PPS)।
পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. মনজুর হোসেন বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প চালায়, সেগুলোকে একটি প্রোগ্রামের আওতায় আনা গেলে ফলাফল আরও ভালোভাবে মনিটর করা সম্ভব হবে। সরকারের উচ্চমহল থেকে কঠোর নির্দেশনা আছে—খুব জরুরি না হলে উচ্চ ব্যয়ের প্রকল্প না নেওয়া এবং ভ্যালু ফর মানি নিশ্চিত করা।
আগামী দিনে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) বাস্তবায়নের দর্শনেও পরিবর্তন আসছে। অনুমোদিত খাতের বাইরে কোনো অর্থ ব্যয় করা যাবে না। পাবলিক মানি অ্যান্ড বাজেট ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট অনুযায়ী সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিদেশি ঋণনির্ভর প্রকল্পে সরকারের পক্ষ থেকে ম্যাচিং ফান্ড নিশ্চিত করতে জোর দেওয়া হবে। প্রাক-সমীক্ষা ছাড়া কোনো বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (CPD)-এর অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, যেসব প্রকল্প বাদ দেওয়া হচ্ছে সেগুলো অনেক ক্ষেত্রেই বিভিন্ন রাজনৈতিক এলাকা বা সংসদীয় আসনের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এসব বিষয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। প্রকল্প ধরে ধরে ব্যাখ্যা প্রকাশ করা উচিত।
সম্পাদকঃ মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ রাইসা কবির, বার্তা সম্পাদক : সেলিম রানা, সাহিত্য সম্পাদকঃ সিদরাতুল ইসলাম সায়মা। Address: 169, Gha-1, Sahadat Hossain Road, West Dholaipar, Dhaka-1204. Gmail: dainikbishawsongbad@gmail.com Mobile:
ই পেপার