
ইসরাইলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাইয়ের শিকার হলে সেটিকে গুলি করে ভূপাতিত করার প্রস্তুতি নিয়েছিল ইসরাইল। বিমানটিতে ছিনতাইয়ের সংকেত পাওয়ার পর সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় দেশটি জরুরি নিরাপত্তা প্রোটোকল সক্রিয় করেছিল বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ওই ফ্লাইটে ১৭০ জনের বেশি যাত্রী ও ক্রু ছিলেন। তাদের বেশিরভাগই ইসরাইলি নাগরিক। বিমানটি ছিনতাইয়ের সংকেত পাঠানোর পর ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ দ্রুত সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করে।
সিবিএস নিউজ জানায়, সংকেত পাওয়ার পর ফ্লাইটটি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে প্রায় ১৮ হাজার ফুট নিচে নেমে যায়। এ সময় ইসরাইলি বিমানবাহিনী ককপিটের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কোনো সাড়া পায়নি। পরে দ্রুত একটি কমিটি গঠন করে কমান্ড সেন্টার চালু করা হয় এবং যুদ্ধবিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
তবে ওই সময় বিমানটি ইসরাইলের দিকে না গিয়ে সৌদি আরবের দিকে মোড় নেয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় সৌদি আরবও নিজেদের যুদ্ধবিমান প্রস্তুত রাখে।
পরে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ জানতে পারে, বিমানের ভারতীয় পাইলট স্মিত মাচ্ছার হামলাকারী সহকারী পাইলট হামাম আল-হামামিকে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছেন। ককপিটের দরজা খোলার পর কয়েকজন যাত্রী ও ফ্লাইদুবাইয়ের কর্মী হামামিকে নিয়ন্ত্রণে নেন। এরপর দুই অফ-ডিউটি পাইলট বিমানের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন।
শেষ পর্যন্ত বিমানটি সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করে।
সিবিএসের সূত্রগুলোর দাবি, বিমানটি ছিনতাই হয়েছে নিশ্চিত হওয়ার পরও যদি ছিনতাইকারী রেডিও যোগাযোগ বন্ধ রাখতেন, তাহলে বিমানটি ভূপাতিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা শুধু ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকত।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ৯/১১-এর মতো কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইসরাইল দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের জরুরি প্রোটোকল অনুশীলন করে আসছে। তবে এ বিষয়ে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
সম্পাদকঃ মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ রাইসা কবির, বার্তা সম্পাদক : সেলিম রানা, সাহিত্য সম্পাদকঃ সিদরাতুল ইসলাম সায়মা। Address: 169, Gha-1, Sahadat Hossain Road, West Dholaipar, Dhaka-1204. Gmail: dainikbishawsongbad@gmail.com Mobile:
ই পেপার