
ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, শিক্ষায় বিনিয়োগ মানেই দেশের ভবিষ্যতে বিনিয়োগ। মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা যেন না থাকে, সে লক্ষ্যেই সরকার বিভিন্ন শিক্ষাবৃত্তি ও সহায়তা কর্মসূচি পরিচালনা করছে।
শনিবার (১১ জুলাই) রাজশাহী মহানগরীর মনিচত্বরস্থ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মধ্যে এককালীন শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। শিক্ষা একটি জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। তাই সরকারের লক্ষ্য এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা, যেখানে আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো শিক্ষার্থী মেধা বিকাশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে না।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়নের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকেও শিক্ষার প্রসারে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।
বর্তমান সময়ে উচ্চশিক্ষার ব্যয় বৃদ্ধি এবং পারিবারিক আর্থিক চাপের কারণে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে সরকারি ও স্থানীয় পর্যায়ের বৃত্তি কর্মসূচিকে শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং ঝরে পড়ার হার কমাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।
রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী (ঈশা)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ এবং জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা। এছাড়া প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজনরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফল করা ৪৮২ জন শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ২৪ লাখ ১০ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়। পরে অতিথিরা নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের হাতে এককালীন শিক্ষাবৃত্তির চেক তুলে দেন।
উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি আরও বিস্তৃত হলে মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার পথে আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারবে।
সম্পাদকঃ মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ রাইসা কবির, বার্তা সম্পাদক : সেলিম রানা, সাহিত্য সম্পাদকঃ সিদরাতুল ইসলাম সায়মা। Address: 169, Gha-1, Sahadat Hossain Road, West Dholaipar, Dhaka-1204. Gmail: dainikbishawsongbad@gmail.com Mobile:
ই পেপার