টাঙ্গাইলের বাসাইলে নির্মাণাধীন একটি সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব ঢালাইয়ে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। এ ঘটনায় এলজিইডির এক উপসহকারী প্রকৌশলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি দুই প্রকৌশলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।
গ্রামীণ সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় বাসাইল পৌরসভার মাইজখাড়া এলাকায় মরাগাঙ্গী নদীর ওপর ৯০ দশমিক ০৬ মিটার দীর্ঘ সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রায় ১০ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে মেসার্স ইউনুছ আল মামুন ও মেসার্স জাকির এন্টারপ্রাইজ নামের যৌথ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটির কাজ বাস্তবায়ন করছে।
গত রোববার রাতে স্থানীয় বাসিন্দারা সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব ঢালাইয়ে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করতে দেখে কাজে বাধা দেন। পরে এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়।
এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া টাঙ্গাইল জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জাহানারা পারভীন এবং বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমানকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, এ ঘটনায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ঠিকাদারের পাশাপাশি নির্মাণকাজ তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।
প্রতিবেদকের নাম 




















