বাংলাদেশে ঈদুল আজহা মানেই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আনন্দ, অতিথি আপ্যায়ন আর গরু-খাসির মাংসের নানা পদ। কোরবানির ঈদে একটানা কয়েকদিন ধরে ভুনা, কাবাব, রেজালা, কালাভুনা কিংবা ঝাল মাংস খাওয়ার প্রবণতা থাকে প্রায় সব ঘরেই।
তবে এবার ঈদ এসেছে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে। তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অতিরিক্ত মাংস খাওয়া শরীরে অস্বস্তি, গ্যাস্ট্রিক, পানিশূন্যতা, বদহজম কিংবা অতিরিক্ত গরম অনুভূতির কারণ হতে পারে।
তাই ঈদের আনন্দ ঠিক রেখে শরীরকে ঠান্ডা ও সতেজ রাখতে খাদ্যতালিকায় কিছু বিশেষ খাবার যোগ করা জরুরি।
গরমে শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে প্রচুর পানি ও লবণ বের হয়ে যায়। ডাবের পানি শরীরকে দ্রুত হাইড্রেট করে এবং ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে। ভারী মাংস খাওয়ার পর এক গ্লাস ডাবের পানি শরীরকে অনেকটা স্বস্তি দিতে পারে।
সেদ্ধ ছোলার সঙ্গে ঠান্ডা দই, পেঁয়াজ, টমেটো এবং হালকা মসলা মিশিয়ে তৈরি করা দই-ছোলা চাট পুষ্টিকর ও হালকা খাবার। এটি পেট ভরা রাখে এবং ভারী খাবারের পর শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। ঈদের নাস্তার আয়োজনে এটি রাখতে পারেন।
ঈদের সময় বাজারে প্রচুর তরমুজ ও বাঙ্গি পাওয়া যায়। এসব ফলে পানির পরিমাণ বেশি থাকায় শরীর ঠান্ডা রাখতে দারুণ কার্যকর। মাংসের ভারী খাবারের ফাঁকে ফল খেলে শরীর হালকা থাকে।
আমের কুলফি হলো পাকা আমের পাল্প, দুধ এবং শুকনো ফল দিয়ে তৈরি একটি ক্রিমি ফ্রোজেন মিষ্টান্ন। ভরপেট খাবারের পর এটি একটি চমৎকার ডেজার্ট হতে পারে। ঘরেই সহজে তৈরি করা যায় এই সুস্বাদু খাবার।
ঘরে সহজে তৈরি করা যায় এমন স্বাস্থ্যকর পানীয় হলো পুদিনা-লেবুর শরবত। এটি শরীর ঠান্ডা রাখে, হজমে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত গরমের অস্বস্তি কমায়। সফট ড্রিংকসের বদলে এই ধরনের প্রাকৃতিক পানীয় বেশি উপকারী।
ঈদ আনন্দের উৎসব। তবে আনন্দের মাঝেও শরীরের যত্ন নেওয়া জরুরি। একটু সচেতন খাদ্যাভ্যাস গরমের এই ঈদকে আরও স্বস্তিদায়ক ও স্বাস্থ্যকর করে তুলতে পারে।
সম্পাদকঃ মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ রাইসা কবির, বার্তা সম্পাদক : সেলিম রানা, সাহিত্য সম্পাদকঃ সিদরাতুল ইসলাম সায়মা। Address: 169, Gha-1, Sahadat Hossain Road, West Dholaipar, Dhaka-1204. Gmail: dainikbishawsongbad@gmail.com Mobile:
ই পেপার