ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে আবারও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে বিরোধী দলগুলোর জোট ইন্ডিয়া (INDIA)। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এই কর্মসূচিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে বুধবার দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ বিরোধী দলের কয়েকজন নেতা আটক হন। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। বিরোধী জোট জানিয়েছে, সিইসির পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
বুধবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের আয়োজিত বৈঠকের পর বিরোধী দলগুলো নতুন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করে। এরপর সংসদ সদস্যদের নিয়ে দিল্লিতে বিক্ষোভে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়। তিনটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসে বিভিন্ন দলের নেতাদের নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও অশোক রোডের শাংরি-লা হোটেলের কাছে সেগুলো আটকে দেওয়া হয়।
পরে বিরোধী নেতারা সেখানেই অবস্থান নিয়ে সিইসির পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন। একপর্যায়ে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কয়েকজন নেতাকে আটক করে পুলিশ। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওইদিন বিক্ষোভ ঘিরে ৯১ জনকে আটক করা হয়।
বিরোধীদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রমে স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে বিহারে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পুনর্নিরীক্ষণ (SIR) নিয়ে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করছে। তাদের দাবি, এই প্রক্রিয়ায় প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ পড়ার ঝুঁকি রয়েছে এবং নির্বাচন কমিশন তাদের উদ্বেগ যথাযথভাবে বিবেচনা করছে না।
এই দাবির পাশাপাশি ইন্ডিয়া জোট সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ প্রক্রিয়া বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছে।
বুধবারের কর্মসূচিতে বাধা ও নেতাদের আটকের পর বৃহস্পতিবার আরও বড় পরিসরে আন্দোলনের ঘোষণা দেয় বিরোধী জোট। কংগ্রেস জানিয়েছে, সিইসিকে ঘিরে বিরোধীদের আন্দোলন শুধু দিল্লিতে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশজুড়েও ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 

























