
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য সমঝোতা বা চুক্তি খুব শিগগিরই—সম্ভবত এক সপ্তাহের মধ্যেই—চূড়ান্ত হতে পারে।
ফক্স নিউজের এক লাইভ অনুষ্ঠানে সাংবাদিক ব্রেট বায়ার সম্প্রতি ট্রাম্পের সঙ্গে তার ফোনালাপের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি জানান, ওই আলাপে প্রস্তাবিত একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) নিয়ে ট্রাম্প আশাবাদী মনোভাব প্রকাশ করেছেন। আলোচনার অগ্রগতি সন্তোষজনক হলে দ্রুতই চুক্তি হতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।
তবে বায়ারের ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্প পুরোপুরি নিশ্চিত না হয়ে বরং সতর্কভাবে আশাবাদী অবস্থানেই আছেন।
প্রস্তাবিত সমঝোতায় মূলত দুইটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে—ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়া এবং হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখা।
এদিকে হোয়াইট হাউসে দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা ইতিবাচক দিকেই এগোচ্ছে এবং দেশটিও একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী। তবে শেষ পর্যন্ত কী ফলাফল আসে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে অঞ্চলে উত্তেজনার কারণে বিভিন্ন সামরিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি হয়। সংঘাতের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক দফা যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নেওয়া হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। পরে আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ কিছুটা বাড়ানো হয়।
পরবর্তীতে হরমুজ প্রণালী ঘিরে নৌ চলাচল নিয়েও উত্তেজনা তৈরি হয়, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রভাব ফেলে। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক করার উদ্যোগের কথা জানানো হয়েছে, তবু পুরোপুরি সমাধান এখনও অনিশ্চিত।
সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান আলোচনা এখন একটি সম্ভাব্য চুক্তির দিকে এগোচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে, যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।





















