বিশ্বের প্রথম উইন্ড-পাওয়ার্ড আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার চালু করেছে চীন। সাংহাই উপকূলে এই আধুনিক ডেটা সেন্টারটি স্থাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
হাইক্লাউড টেকনোলজি এবং চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশনের যৌথ উদ্যোগে এটি নির্মাণ করা হয়েছে।
সাংহাই লিংগাং আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার ডেমনস্ট্রেশন প্রকল্পের অধীনে তৈরি এই কেন্দ্রটির সক্ষমতা ২৪ মেগাওয়াট। এটি সাংহাই উপকূল থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় ১০ মিটার গভীরে স্থাপন করা হয়েছে।
চীনের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এটি সাধারণ স্থলভিত্তিক ডেটা সেন্টারের তুলনায় ২০ শতাংশেরও বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে সক্ষম।
সাধারণত ডেটা সেন্টারের সার্ভারগুলো ২৪ ঘণ্টা চালু থাকায় প্রচণ্ড তাপ সৃষ্টি করে, যা নিয়ন্ত্রণে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যয় হয় শীতলীকরণ ব্যবস্থায়। অনেক ক্ষেত্রে মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কুলিংয়ে খরচ হয়।
সমুদ্রের নিচে স্থাপিত হওয়ায় নতুন এই ডেটা সেন্টারটি প্রাকৃতিকভাবেই ঠান্ডা সমুদ্রজল ব্যবহার করে সার্ভার শীতল রাখতে পারে, ফলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ অনেক কমে যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের কারণে ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। জাতিসংঘের পানি, পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সংস্থা ইউএনইউ-আইএনডাব্লিউইএইচ-এর সতর্কবার্তা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ডেটা সেন্টারের পানির ব্যবহার ৯.৩ ট্রিলিয়ন লিটারে পৌঁছাতে পারে।
নতুন এই প্রযুক্তি সুপেয় পানির ওপর চাপ কমাতে সহায়তা করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে, কারণ এতে শীতলীকরণের জন্য সমুদ্রের নোনা পানি ব্যবহার করা হচ্ছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















