ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ভর্তি না পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে হ্যাক রক্তমাখা সেই জাতীয় পতাকা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিলেন জুলাইযোদ্ধা শেখ আজিজুর স্টেশনে ট্রেন রেখে উধাও চালক, এক ঘণ্টা পর ফিরতেই গন্তব্যের পথে সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস পুলিশ পরিচয়ে গভীর রাতে রিসোর্টে ডাকাতি, কর্মচারীদের জিম্মি করে লুট জিয়ার সৈনিকরা গত ১৬-১৭ বছরে শেখ হাসিনার একটি চুলও বাঁকা করতে পারেনি: সারজিস আলম  ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামছে ব্রাজিল, কবে, কখন ও কোথায় হবে ঐতিহাসিক ম্যাচ? বিএনপির পরিণতি শেখ হাসিনার চেয়ে আরও ভয়াবহ হবে: সারজিস বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক জোরদারে ফলপ্রসূ আলোচনা: ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর বগুড়ায় ক্লিনিককে ৬০ হাজার, ভুয়া চিকিৎসককে ১ লাখ টাকা জরিমানা আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ৪৬৫তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

হার্টের রোগ নিয়ে ১০টি ভুল ধারণা, যেগুলো হতে পারে প্রাণঘাতী

বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হার্টের রোগ। তবে এই রোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনো অনেক ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। অনেকেই মনে করেন তারা ঝুঁকির বাইরে, বিশেষ করে বয়স কম বা বাইরে থেকে সুস্থ দেখালে। কিন্তু বাস্তবে হার্টের স্বাস্থ্য নির্ভর করে জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ এবং পারিবারিক ইতিহাসের ওপর।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ভুল ধারণা উপেক্ষা করলে অকালেই বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। নিচে হার্টের রোগ নিয়ে প্রচলিত ১০টি ভুল ধারণা তুলে ধরা হলো—


১. হার্টের রোগ শুধু বয়স্কদের হয়

এটি একটি সাধারণ ভুল ধারণা। অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, ব্যায়ামের অভাব এবং মানসিক চাপের কারণে তরুণ বয়সেও হার্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল: স্পিকারের সাক্ষাৎ চাইবে নির্বাচন কমিশন

২. শুধু পুরুষরাই বেশি ঝুঁকিতে

নারীরাও হার্টের রোগে আক্রান্ত হতে পারেন এবং অনেক সময় তাদের উপসর্গ ভিন্ন হওয়ায় দেরিতে শনাক্ত হয়, যা ঝুঁকি বাড়ায়।


৩. উপসর্গ না থাকলে হার্ট সম্পূর্ণ সুস্থ

উচ্চ রক্তচাপ বা কোলেস্টেরল অনেক সময় নীরবে বাড়ে। প্রথম লক্ষণই হতে পারে গুরুতর হার্ট অ্যাটাক।


৪. পরিবারে হার্টের রোগ না থাকলে ঝুঁকি নেই

জীবনযাপনই বড় ভূমিকা রাখে। অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস থাকলে যে কেউ ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

আরও পড়ুনঃ  হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

৫. শুধু বুকে ব্যথাই হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ

বুকে ব্যথার পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট, বমিভাব, অতিরিক্ত ক্লান্তি বা ঘাড়ে ব্যথাও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ।


৬. রোগা মানুষদের হার্টের সমস্যা হয় না

শরীরের গঠন নয়, বরং খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারাই হার্টের ঝুঁকি নির্ধারণ করে।


৭. শুধু ওষুধেই হার্ট ভালো থাকে

ওষুধ গুরুত্বপূর্ণ হলেও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, ব্যায়াম ও খাদ্য নিয়ন্ত্রণও সমান জরুরি।


৮. সব ধরনের ফ্যাট ক্ষতিকর

সব ফ্যাট খারাপ নয়। বাদাম, অলিভ অয়েল ও অ্যাভোকাডোর মতো ভালো ফ্যাট হার্টের জন্য উপকারী।

আরও পড়ুনঃ  সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে বড় সম্ভাবনা, ২০৩০ সালের মধ্যে ১ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য

৯. উচ্চ রক্তচাপ সহজেই বোঝা যায়

উচ্চ রক্তচাপ অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই বাড়ে, তাই এটি ‘নীরব ঘাতক’ নামে পরিচিত।


১০. হার্টের রোগ থাকলে ব্যায়াম করা বিপজ্জনক

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক ব্যায়াম হার্টকে আরও শক্তিশালী করে এবং ঝুঁকি কমায়।


বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভুল ধারণাগুলো দূর করে সচেতন জীবনযাপন শুরু করাই হার্টের রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সুষম খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক সক্রিয়তা হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সুস্থ হার্ট মানেই সুস্থ জীবন—তাই আজ থেকেই সচেতনতা শুরু করা জরুরি।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভর্তি না পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে হ্যাক

হার্টের রোগ নিয়ে ১০টি ভুল ধারণা, যেগুলো হতে পারে প্রাণঘাতী

আপডেটের সময়: ১২:২৭:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হার্টের রোগ। তবে এই রোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনো অনেক ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। অনেকেই মনে করেন তারা ঝুঁকির বাইরে, বিশেষ করে বয়স কম বা বাইরে থেকে সুস্থ দেখালে। কিন্তু বাস্তবে হার্টের স্বাস্থ্য নির্ভর করে জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ এবং পারিবারিক ইতিহাসের ওপর।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ভুল ধারণা উপেক্ষা করলে অকালেই বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। নিচে হার্টের রোগ নিয়ে প্রচলিত ১০টি ভুল ধারণা তুলে ধরা হলো—


১. হার্টের রোগ শুধু বয়স্কদের হয়

এটি একটি সাধারণ ভুল ধারণা। অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, ব্যায়ামের অভাব এবং মানসিক চাপের কারণে তরুণ বয়সেও হার্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল: স্পিকারের সাক্ষাৎ চাইবে নির্বাচন কমিশন

২. শুধু পুরুষরাই বেশি ঝুঁকিতে

নারীরাও হার্টের রোগে আক্রান্ত হতে পারেন এবং অনেক সময় তাদের উপসর্গ ভিন্ন হওয়ায় দেরিতে শনাক্ত হয়, যা ঝুঁকি বাড়ায়।


৩. উপসর্গ না থাকলে হার্ট সম্পূর্ণ সুস্থ

উচ্চ রক্তচাপ বা কোলেস্টেরল অনেক সময় নীরবে বাড়ে। প্রথম লক্ষণই হতে পারে গুরুতর হার্ট অ্যাটাক।


৪. পরিবারে হার্টের রোগ না থাকলে ঝুঁকি নেই

জীবনযাপনই বড় ভূমিকা রাখে। অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস থাকলে যে কেউ ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

আরও পড়ুনঃ  ভাটারায় গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

৫. শুধু বুকে ব্যথাই হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ

বুকে ব্যথার পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট, বমিভাব, অতিরিক্ত ক্লান্তি বা ঘাড়ে ব্যথাও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ।


৬. রোগা মানুষদের হার্টের সমস্যা হয় না

শরীরের গঠন নয়, বরং খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারাই হার্টের ঝুঁকি নির্ধারণ করে।


৭. শুধু ওষুধেই হার্ট ভালো থাকে

ওষুধ গুরুত্বপূর্ণ হলেও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, ব্যায়াম ও খাদ্য নিয়ন্ত্রণও সমান জরুরি।


৮. সব ধরনের ফ্যাট ক্ষতিকর

সব ফ্যাট খারাপ নয়। বাদাম, অলিভ অয়েল ও অ্যাভোকাডোর মতো ভালো ফ্যাট হার্টের জন্য উপকারী।

আরও পড়ুনঃ  সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে বড় সম্ভাবনা, ২০৩০ সালের মধ্যে ১ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য

৯. উচ্চ রক্তচাপ সহজেই বোঝা যায়

উচ্চ রক্তচাপ অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই বাড়ে, তাই এটি ‘নীরব ঘাতক’ নামে পরিচিত।


১০. হার্টের রোগ থাকলে ব্যায়াম করা বিপজ্জনক

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক ব্যায়াম হার্টকে আরও শক্তিশালী করে এবং ঝুঁকি কমায়।


বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভুল ধারণাগুলো দূর করে সচেতন জীবনযাপন শুরু করাই হার্টের রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সুষম খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক সক্রিয়তা হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সুস্থ হার্ট মানেই সুস্থ জীবন—তাই আজ থেকেই সচেতনতা শুরু করা জরুরি।