ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দুই ছেলের নামে দুই ইউনিয়নের নামকরণ, সংসদে দেওয়া ব্যাখ্যায় যা বললেন প্রতিমন্ত্রী ঢাকার চারটি বাস টার্মিনাল অতিদ্রুত স্থানান্তরে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি আমাদের জন্য ক্ষতিকর: ইসরাইলি অর্থমন্ত্রী সমর্থকদের মাঠে প্রবেশ না করতে দেওয়ার অনুরোধ করেছে আর্জেন্টিনা সরকার পুশ ইন করা সেই বৃদ্ধকে ভারতে নিয়ে গেছে বিএসএফ দুই নায়িকা নিয়ে ব্যাংকক যাচ্ছেন শাকিব খান দিল্লিতে ডা. জাহেদের সাথে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব প্রিয় দলের জার্সি পরে খেলা দেখায় কেন বাড়ে আবেগ? লিবিয়া হয়ে অবৈধ প্রবেশে কড়াকড়ি, সতর্ক করল ইতালি দূতাবাস গাইবান্ধার হত্যা মামলার প্রধান আসামি রংপুরে গ্রেফতার
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

গাছ লাগানোর উৎসব নয়, প্রয়োজন গাছ বাঁচানোর সংস্কৃতি শতরূপা দে

 

“ভূমি পুনরুদ্ধার, মরুকরণ প্রতিরোধ এবং খরা-সহনশীলতা বৃদ্ধি”— এই প্রতিপাদ্য নিয়ে পালিত হয়েছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬। জলবায়ু পরিবর্তনের এই সংকটময় সময়ে প্রতিপাদ্যটি মানবসভ্যতার অস্তিত্ব রক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান। কারণ ভূমি, বন, পানি ও জীববৈচিত্র্য একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত। একটি বন ধ্বংস হলে শুধু কয়েকটি গাছ নয়, হারিয়ে যায় একটি সম্পূর্ণ বাস্তুতন্ত্র।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস এলেই দেশে গাছ লাগানোর নানা কর্মসূচি দেখা যায়। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন—সবাই অংশ নেয় বৃক্ষরোপণে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয় হাজার হাজার চারা রোপণের খবর। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এসব চারার কতগুলো শেষ পর্যন্ত বেঁচে থাকে?

গ্লোবাল ফরেস্ট ওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, ২০০১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার হেক্টর বৃক্ষআচ্ছাদন হারিয়েছে। শুধু ২০২৫ সালেই হারিয়েছে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর প্রাকৃতিক বনভূমি। বর্তমানে দেশের মোট ভূমির মাত্র ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ বনভূমির আওতায় রয়েছে। অর্থাৎ একদিকে গাছ লাগানো হচ্ছে, অন্যদিকে আরও দ্রুত গতিতে হারিয়ে যাচ্ছে গাছ।

আরও পড়ুনঃ  আইইউবিতে নানা আয়োজনে পালিত হলো আন্তর্জাতিক এইচআর দিবস ২০২৬

এই বৈপরীত্যের অন্যতম কারণ হলো আমরা গাছ লাগানোকে অনুষ্ঠান হিসেবে দেখি, কিন্তু গাছ বাঁচিয়ে রাখাকে দায়িত্ব হিসেবে দেখি না। একটি চারা রোপণ দৃশ্যমান ও প্রচারযোগ্য হলেও, বছরের পর বছর পরিচর্যার বিষয়টি প্রায়শই উপেক্ষিত থেকে যায়। ফলে কয়েক মাসের মধ্যেই অনেক চারা মারা যায় বা নষ্ট হয়ে যায়।

প্রতিষ্ঠানগুলোর বার্ষিক প্রতিবেদনে প্রায়ই উল্লেখ থাকে কত গাছ লাগানো হয়েছে। কিন্তু খুব কম ক্ষেত্রেই বলা হয়, কয়েক বছর পর তার কতগুলো জীবিত রয়েছে। অথচ প্রকৃত সাফল্যের মাপকাঠি হওয়া উচিত গাছের বেঁচে থাকার হার।

একটি পূর্ণবয়স্ক গাছ শুধু কার্বন শোষণই করে না; এটি অক্সিজেন সরবরাহ করে, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, মাটি রক্ষা করে এবং অসংখ্য প্রাণীর আশ্রয়স্থল হয়ে ওঠে। ফলে যে চারা টিকেই থাকল না, তার পরিবেশগত অবদানও সীমিত।

রাজধানী ঢাকায় গত এক দশকে অবকাঠামোগত উন্নয়ন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেলেও একই হারে বাড়েনি সবুজায়ন। কংক্রিটের বিস্তার বেড়েছে, কমেছে উন্মুক্ত সবুজ জায়গা। এর ফলে নগর তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বায়ুদূষণ এবং হিট আইল্যান্ড প্রভাব আরও তীব্র হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  মানবিক আবেদন: ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হতদরিদ্র গৃহবধূ সুলতানা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী শহরে মাথাপিছু যে পরিমাণ সবুজ খোলা জায়গা থাকা প্রয়োজন, ঢাকা তার অনেক নিচে অবস্থান করছে। এর প্রভাব হিসেবে নগরবাসীকে প্রতিনিয়ত গরম, ধুলাবালি ও দূষিত বাতাসের সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে।

গাছ লাগানোর ক্ষেত্রে স্থানীয় পরিবেশ ও ভূপ্রকৃতির বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য উপযোগী গাছ পার্বত্য এলাকায় কার্যকর নাও হতে পারে। আবার শহুরে এলাকায় প্রয়োজন ছায়াদানকারী ও দূষণ-সহনশীল গাছ। তাই শুধু সংখ্যার দিকে না তাকিয়ে সঠিক স্থানে সঠিক গাছ লাগানো জরুরি।

বিশ্বের অনেক দেশে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পের সাফল্য মূল্যায়ন করা হয় ‘সারভাইভাল রেট’ বা বেঁচে থাকার হার দিয়ে। বাংলাদেশেও একই পদ্ধতি চালু করা প্রয়োজন। কত গাছ লাগানো হলো, তার পাশাপাশি কত গাছ টিকে রইল—সেই তথ্যও প্রকাশ করা উচিত।

বিদ্যালয়ভিত্তিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এ ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে। একজন শিক্ষার্থীকে শুধু গাছ লাগানোর দায়িত্ব নয়, বরং কয়েক বছর ধরে গাছটির পরিচর্যার দায়িত্ব দেওয়া হলে প্রকৃতির সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক তৈরি হবে।

আরও পড়ুনঃ   দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করার আহ্বান বিমানমন্ত্রীর

পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়; নাগরিকদেরও। নিজের আশপাশের গাছের যত্ন নেওয়া, প্রয়োজন হলে পানি দেওয়া এবং সুরক্ষার ব্যবস্থা করা—এসব ছোট উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

প্রকৃতি প্রচারণা বোঝে না; বোঝে ফলাফল। কত অনুষ্ঠান হলো বা কত ছবি তোলা হলো, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো একটি গাছ সত্যিই বড় হলো কি না, তার ছায়ায় মানুষ আশ্রয় পেল কি না, কিংবা সেটি পরিবেশকে কতটা উপকার করল।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের জন্য গাছ শুধু সৌন্দর্যের উপাদান নয়; এটি পরিবেশ সুরক্ষা, জনস্বাস্থ্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি।

তাই সময় এসেছে গাছ লাগানোর সংখ্যা নয়, গাছ বাঁচিয়ে রাখার সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেওয়ার। একটি চারা রোপণ এক দিনের কাজ, কিন্তু একটি বন তৈরি হয় দীর্ঘ সময়ের যত্ন, পরিকল্পনা ও দায়বদ্ধতার মাধ্যমে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

দুই ছেলের নামে দুই ইউনিয়নের নামকরণ, সংসদে দেওয়া ব্যাখ্যায় যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

গাছ লাগানোর উৎসব নয়, প্রয়োজন গাছ বাঁচানোর সংস্কৃতি শতরূপা দে

আপডেটের সময়: ০৬:২১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

 

“ভূমি পুনরুদ্ধার, মরুকরণ প্রতিরোধ এবং খরা-সহনশীলতা বৃদ্ধি”— এই প্রতিপাদ্য নিয়ে পালিত হয়েছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬। জলবায়ু পরিবর্তনের এই সংকটময় সময়ে প্রতিপাদ্যটি মানবসভ্যতার অস্তিত্ব রক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান। কারণ ভূমি, বন, পানি ও জীববৈচিত্র্য একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত। একটি বন ধ্বংস হলে শুধু কয়েকটি গাছ নয়, হারিয়ে যায় একটি সম্পূর্ণ বাস্তুতন্ত্র।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস এলেই দেশে গাছ লাগানোর নানা কর্মসূচি দেখা যায়। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন—সবাই অংশ নেয় বৃক্ষরোপণে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয় হাজার হাজার চারা রোপণের খবর। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এসব চারার কতগুলো শেষ পর্যন্ত বেঁচে থাকে?

গ্লোবাল ফরেস্ট ওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, ২০০১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার হেক্টর বৃক্ষআচ্ছাদন হারিয়েছে। শুধু ২০২৫ সালেই হারিয়েছে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর প্রাকৃতিক বনভূমি। বর্তমানে দেশের মোট ভূমির মাত্র ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ বনভূমির আওতায় রয়েছে। অর্থাৎ একদিকে গাছ লাগানো হচ্ছে, অন্যদিকে আরও দ্রুত গতিতে হারিয়ে যাচ্ছে গাছ।

আরও পড়ুনঃ  আইইউবিতে নানা আয়োজনে পালিত হলো আন্তর্জাতিক এইচআর দিবস ২০২৬

এই বৈপরীত্যের অন্যতম কারণ হলো আমরা গাছ লাগানোকে অনুষ্ঠান হিসেবে দেখি, কিন্তু গাছ বাঁচিয়ে রাখাকে দায়িত্ব হিসেবে দেখি না। একটি চারা রোপণ দৃশ্যমান ও প্রচারযোগ্য হলেও, বছরের পর বছর পরিচর্যার বিষয়টি প্রায়শই উপেক্ষিত থেকে যায়। ফলে কয়েক মাসের মধ্যেই অনেক চারা মারা যায় বা নষ্ট হয়ে যায়।

প্রতিষ্ঠানগুলোর বার্ষিক প্রতিবেদনে প্রায়ই উল্লেখ থাকে কত গাছ লাগানো হয়েছে। কিন্তু খুব কম ক্ষেত্রেই বলা হয়, কয়েক বছর পর তার কতগুলো জীবিত রয়েছে। অথচ প্রকৃত সাফল্যের মাপকাঠি হওয়া উচিত গাছের বেঁচে থাকার হার।

একটি পূর্ণবয়স্ক গাছ শুধু কার্বন শোষণই করে না; এটি অক্সিজেন সরবরাহ করে, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, মাটি রক্ষা করে এবং অসংখ্য প্রাণীর আশ্রয়স্থল হয়ে ওঠে। ফলে যে চারা টিকেই থাকল না, তার পরিবেশগত অবদানও সীমিত।

রাজধানী ঢাকায় গত এক দশকে অবকাঠামোগত উন্নয়ন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেলেও একই হারে বাড়েনি সবুজায়ন। কংক্রিটের বিস্তার বেড়েছে, কমেছে উন্মুক্ত সবুজ জায়গা। এর ফলে নগর তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বায়ুদূষণ এবং হিট আইল্যান্ড প্রভাব আরও তীব্র হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  “পাকিস্তানের ছায়ায় কেন ফেরানো হচ্ছে বাংলাদেশকে”: শেখ হাসিনা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী শহরে মাথাপিছু যে পরিমাণ সবুজ খোলা জায়গা থাকা প্রয়োজন, ঢাকা তার অনেক নিচে অবস্থান করছে। এর প্রভাব হিসেবে নগরবাসীকে প্রতিনিয়ত গরম, ধুলাবালি ও দূষিত বাতাসের সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে।

গাছ লাগানোর ক্ষেত্রে স্থানীয় পরিবেশ ও ভূপ্রকৃতির বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য উপযোগী গাছ পার্বত্য এলাকায় কার্যকর নাও হতে পারে। আবার শহুরে এলাকায় প্রয়োজন ছায়াদানকারী ও দূষণ-সহনশীল গাছ। তাই শুধু সংখ্যার দিকে না তাকিয়ে সঠিক স্থানে সঠিক গাছ লাগানো জরুরি।

বিশ্বের অনেক দেশে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পের সাফল্য মূল্যায়ন করা হয় ‘সারভাইভাল রেট’ বা বেঁচে থাকার হার দিয়ে। বাংলাদেশেও একই পদ্ধতি চালু করা প্রয়োজন। কত গাছ লাগানো হলো, তার পাশাপাশি কত গাছ টিকে রইল—সেই তথ্যও প্রকাশ করা উচিত।

বিদ্যালয়ভিত্তিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এ ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে। একজন শিক্ষার্থীকে শুধু গাছ লাগানোর দায়িত্ব নয়, বরং কয়েক বছর ধরে গাছটির পরিচর্যার দায়িত্ব দেওয়া হলে প্রকৃতির সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক তৈরি হবে।

আরও পড়ুনঃ   দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করার আহ্বান বিমানমন্ত্রীর

পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়; নাগরিকদেরও। নিজের আশপাশের গাছের যত্ন নেওয়া, প্রয়োজন হলে পানি দেওয়া এবং সুরক্ষার ব্যবস্থা করা—এসব ছোট উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

প্রকৃতি প্রচারণা বোঝে না; বোঝে ফলাফল। কত অনুষ্ঠান হলো বা কত ছবি তোলা হলো, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো একটি গাছ সত্যিই বড় হলো কি না, তার ছায়ায় মানুষ আশ্রয় পেল কি না, কিংবা সেটি পরিবেশকে কতটা উপকার করল।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের জন্য গাছ শুধু সৌন্দর্যের উপাদান নয়; এটি পরিবেশ সুরক্ষা, জনস্বাস্থ্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি।

তাই সময় এসেছে গাছ লাগানোর সংখ্যা নয়, গাছ বাঁচিয়ে রাখার সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেওয়ার। একটি চারা রোপণ এক দিনের কাজ, কিন্তু একটি বন তৈরি হয় দীর্ঘ সময়ের যত্ন, পরিকল্পনা ও দায়বদ্ধতার মাধ্যমে।