Dhaka ০৬:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ

কর কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের পথে সরকার, আসছে ‘সম্পদ কর’

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:৪১:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৫ সময় দেখুন

স্টাফ রিপোর্টার :­ কর কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের পথে সরকার, আসছে ‘সম্পদ কর’

ধনীদের ওপর কর আরোপে বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই উদ্যোগে প্রচলিত সারচার্জ পদ্ধতি বাতিল করে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ‘সম্পদ কর’ চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জমি ও স্থাবর সম্পদের মূল্য নির্ধারণে দলিল মূল্যের পরিবর্তে বাজারভিত্তিক বা মৌজামূল্য ব্যবহারেরও উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজধানীর গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, বারিধারাসহ বিভাগীয় শহরের অভিজাত এলাকায় বসবাসকারী উচ্চসম্পদশালী ব্যক্তিদের করের আওতায় আনা এবং রাজস্ব আদায় বাড়ানোই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে ‘সম্পদ কর আইন’ প্রণয়নের খসড়া ইতোমধ্যে প্রস্তুত করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সরকারের উচ্চপর্যায়ের অনুমোদন মিললে আসন্ন বাজেটেই এটি অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  চৈত্র সেলের শেষ দিনে জমে উঠেছে কেনাকাটা ও অন্যদিকে লক্ষ্মী গণেশ বিক্রি

বর্তমানে আয়কর আইনে নির্ধারিত সীমার বেশি সম্পদ থাকলে করদাতাকে প্রদেয় আয়করের ওপর নির্দিষ্ট হারে সারচার্জ দিতে হয়। যেমন—৪ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকার মধ্যে সম্পদ থাকলে ১০ শতাংশ, ১০ থেকে ২০ কোটিতে ২০ শতাংশ, ২০ থেকে ৫০ কোটিতে ৩০ শতাংশ এবং ৫০ কোটির বেশি সম্পদে ৩৫ শতাংশ হারে সারচার্জ প্রযোজ্য। তবে এ সারচার্জ সরাসরি সম্পদের পরিবর্তে আয়করের ওপর হিসাব করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  সংরক্ষিত মহিলা আসন বান্দরবান থেকে মনোনয়ন পেলেন আ.লীগের এপিপি ত্যাগীদের ক্ষোভ

নতুন প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় কর গণনার পদ্ধতিতেই আসছে বড় পরিবর্তন। নির্দিষ্ট হারে সম্পদের ওপর সরাসরি কর আরোপ করা হবে। প্রাথমিক খসড়া অনুযায়ী—৪ থেকে ১০ কোটি টাকার মধ্যে সম্পদে ০ দশমিক ৫০ শতাংশ, ১০ থেকে ২০ কোটিতে ১ শতাংশ, ২০ থেকে ৫০ কোটিতে ১ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং ৫০ কোটির বেশি সম্পদে ২ শতাংশ হারে ‘সম্পদ কর’ ধার্য করা হবে। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রাখা হচ্ছে—কোনও করদাতার সম্পদ কর তার প্রদেয় আয়করের বেশি হবে না।

আরও পড়ুনঃ  সরকার জ্বালানির দাম বাড়িয়ে অনাস্থার শিকার হলো

কর কর্মকর্তারা জানান, এতে কর ব্যবস্থায় ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং উচ্চ আয়ের পাশাপাশি উচ্চ সম্পদের মালিকদের কাছ থেকে বেশি রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করা যাবে। একই সঙ্গে সারচার্জ পদ্ধতি বাতিল হলে কর কাঠামো আরও সরল হবে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

চট্টগ্রাম বন্দরে এলো ৫ জ্বালানিবাহী জাহাজ

কর কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের পথে সরকার, আসছে ‘সম্পদ কর’

আপডেটের সময়: ১০:৪১:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :­ কর কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের পথে সরকার, আসছে ‘সম্পদ কর’

ধনীদের ওপর কর আরোপে বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই উদ্যোগে প্রচলিত সারচার্জ পদ্ধতি বাতিল করে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ‘সম্পদ কর’ চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জমি ও স্থাবর সম্পদের মূল্য নির্ধারণে দলিল মূল্যের পরিবর্তে বাজারভিত্তিক বা মৌজামূল্য ব্যবহারেরও উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজধানীর গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, বারিধারাসহ বিভাগীয় শহরের অভিজাত এলাকায় বসবাসকারী উচ্চসম্পদশালী ব্যক্তিদের করের আওতায় আনা এবং রাজস্ব আদায় বাড়ানোই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে ‘সম্পদ কর আইন’ প্রণয়নের খসড়া ইতোমধ্যে প্রস্তুত করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সরকারের উচ্চপর্যায়ের অনুমোদন মিললে আসন্ন বাজেটেই এটি অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপের প্রতিবাদে জগন্নাথপুর সাংবাদিক ফোরামের নিন্দা

বর্তমানে আয়কর আইনে নির্ধারিত সীমার বেশি সম্পদ থাকলে করদাতাকে প্রদেয় আয়করের ওপর নির্দিষ্ট হারে সারচার্জ দিতে হয়। যেমন—৪ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকার মধ্যে সম্পদ থাকলে ১০ শতাংশ, ১০ থেকে ২০ কোটিতে ২০ শতাংশ, ২০ থেকে ৫০ কোটিতে ৩০ শতাংশ এবং ৫০ কোটির বেশি সম্পদে ৩৫ শতাংশ হারে সারচার্জ প্রযোজ্য। তবে এ সারচার্জ সরাসরি সম্পদের পরিবর্তে আয়করের ওপর হিসাব করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  কাউখালীতে দরগাবাড়ি খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন

নতুন প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় কর গণনার পদ্ধতিতেই আসছে বড় পরিবর্তন। নির্দিষ্ট হারে সম্পদের ওপর সরাসরি কর আরোপ করা হবে। প্রাথমিক খসড়া অনুযায়ী—৪ থেকে ১০ কোটি টাকার মধ্যে সম্পদে ০ দশমিক ৫০ শতাংশ, ১০ থেকে ২০ কোটিতে ১ শতাংশ, ২০ থেকে ৫০ কোটিতে ১ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং ৫০ কোটির বেশি সম্পদে ২ শতাংশ হারে ‘সম্পদ কর’ ধার্য করা হবে। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রাখা হচ্ছে—কোনও করদাতার সম্পদ কর তার প্রদেয় আয়করের বেশি হবে না।

আরও পড়ুনঃ  রামপালে মল্লিকেরবেড়ে এন. আমিন হেলথ জোন অ্যান্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টারের উদ্বোধন

কর কর্মকর্তারা জানান, এতে কর ব্যবস্থায় ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং উচ্চ আয়ের পাশাপাশি উচ্চ সম্পদের মালিকদের কাছ থেকে বেশি রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করা যাবে। একই সঙ্গে সারচার্জ পদ্ধতি বাতিল হলে কর কাঠামো আরও সরল হবে।