ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, প্রভাব মূল্যায়ন করবে সরকার

 

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় দেওয়া ভাতা উপকারভোগীদের জীবনে কী ধরনের প্রভাব ফেলছে, তা মূল্যায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ভাতা পাওয়ার পর উপকারভোগীরা স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে কতটা এগিয়ে যাচ্ছেন এবং তাদের জীবনমানে কী পরিবর্তন আসছে, তা যাচাই করা হবে। যেহেতু এ খাতে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ব্যয় হবে, তাই সেই ব্যয়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রভাব মূল্যায়ন জরুরি।

আরও পড়ুনঃ  ময়মনসিংহে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ

সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান–সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

বৈঠকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির প্রশাসনিক ব্যয় পর্যালোচনা ও অনুমোদন দেওয়া হয়। পাশাপাশি ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন (সংশোধন) নীতিমালা-২০২৬’ চূড়ান্ত করা এবং ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা-২০২৬’-এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

অর্থমন্ত্রী জানান, প্রকৃত উপকারভোগীদের নির্বাচন নিশ্চিত করতে বাছাই প্রক্রিয়ায় কোনো দলীয় ব্যক্তিকে সম্পৃক্ত করা হয়নি। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ যেন এ কর্মসূচির সুবিধা পান, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  আষাঢ়ের প্রথম দিনে রাজধানীজুড়ে বর্ষাবরণ উৎসব

সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, আগামী চার বছরে ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। এর মধ্যে আগামী অর্থবছরেই ৪১ লাখ পরিবার এ সুবিধার আওতায় আসবে।

তিনি আরও জানান, জাতীয় পরিচয়পত্রভিত্তিক (এনআইডি) তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে ভাতা বিতরণ করা হবে। অন্য কোনো সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীরা এ কার্ড পাবেন না। কেউ তথ্য গোপন করলেও তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুনঃ  ‘ভারত-বাংলাদেশ এক হয়ে যাওয়ার’ বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাইলেন জামায়াতে আমির

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, প্রতি চার বছর পরপর নতুন করে উপকারভোগী তালিকা হালনাগাদ করা হবে। যাদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হবে, তারা তালিকা থেকে বাদ পড়বেন এবং নতুন সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোকে কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, প্রভাব মূল্যায়ন করবে সরকার

আপডেটের সময়: ০৪:২৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

 

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় দেওয়া ভাতা উপকারভোগীদের জীবনে কী ধরনের প্রভাব ফেলছে, তা মূল্যায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ভাতা পাওয়ার পর উপকারভোগীরা স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে কতটা এগিয়ে যাচ্ছেন এবং তাদের জীবনমানে কী পরিবর্তন আসছে, তা যাচাই করা হবে। যেহেতু এ খাতে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ব্যয় হবে, তাই সেই ব্যয়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রভাব মূল্যায়ন জরুরি।

আরও পড়ুনঃ  ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তার ঘটনায় ২ পুলিশ সদস্য সাময়িক বরখাস্ত

সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান–সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

বৈঠকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির প্রশাসনিক ব্যয় পর্যালোচনা ও অনুমোদন দেওয়া হয়। পাশাপাশি ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন (সংশোধন) নীতিমালা-২০২৬’ চূড়ান্ত করা এবং ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা-২০২৬’-এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

অর্থমন্ত্রী জানান, প্রকৃত উপকারভোগীদের নির্বাচন নিশ্চিত করতে বাছাই প্রক্রিয়ায় কোনো দলীয় ব্যক্তিকে সম্পৃক্ত করা হয়নি। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ যেন এ কর্মসূচির সুবিধা পান, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘প্রস্তাবিত বাজেট উচ্চাভিলাষী, বাস্তবতা-বিবর্জিত ও ঋণগ্রস্ত’

সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, আগামী চার বছরে ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। এর মধ্যে আগামী অর্থবছরেই ৪১ লাখ পরিবার এ সুবিধার আওতায় আসবে।

তিনি আরও জানান, জাতীয় পরিচয়পত্রভিত্তিক (এনআইডি) তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে ভাতা বিতরণ করা হবে। অন্য কোনো সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীরা এ কার্ড পাবেন না। কেউ তথ্য গোপন করলেও তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুনঃ  আষাঢ়ের প্রথম দিনে রাজধানীজুড়ে বর্ষাবরণ উৎসব

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, প্রতি চার বছর পরপর নতুন করে উপকারভোগী তালিকা হালনাগাদ করা হবে। যাদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হবে, তারা তালিকা থেকে বাদ পড়বেন এবং নতুন সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোকে কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।