
দৈনিক বিশ্বসংবাদ ডেস্ক | ২৮ এপ্রিল ২০২৬,
বৃষ্টি নামলেই অনেকের মনেই অজান্তে ভেসে ওঠে এক প্লেট গরম খিচুড়ির ছবি। শুধু ক্ষুধা নয়, এর পেছনে আছে স্মৃতি, আবেগ ও শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ার এক মিশ্র প্রভাব।
বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বৃষ্টির সময় আকাশ ধূসর হওয়া, পরিবেশ ঠান্ডা হয়ে যাওয়া এবং ঘরের ভেতরে থাকার প্রবণতা মানুষের খাবারের পছন্দে পরিবর্তন আনে। এ সময় শরীর সাধারণত গরম ও আরামদায়ক খাবার চায়, আর খিচুড়ি সেই চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মানিয়ে যায়।

খিচুড়ি কেবল একটি খাবার নয়, বরং অনেকের কাছে এটি শৈশবের স্মৃতি ও ঘরোয়া উষ্ণতার প্রতীক। বৃষ্টিভেজা দিনে রান্নাঘর থেকে ভেসে আসা ডাল-চালের গন্ধ, পাশে ডিম বা বেগুন ভাজার স্বাদ—সব মিলিয়ে এটি তৈরি করে এক ধরনের মানসিক প্রশান্তি।
বাংলার গ্রামীণ জীবনে বর্ষাকালে সহজলভ্য উপকরণ দিয়ে তৈরি খাবার হিসেবে খিচুড়ির প্রচলন শুরু হলেও সময়ের সঙ্গে এটি একটি সাংস্কৃতিক আবেগে পরিণত হয়েছে। এখন শহর-গ্রাম নির্বিশেষে বৃষ্টির দিনে অনেকের কাছে খিচুড়ি মানে শুধু খাবার নয়, বরং এক ধরনের আরাম ও নস্টালজিয়া।
মনোবিজ্ঞানীদের মতে, বৃষ্টি মানুষের মনে ধীরতা আনে এবং স্মৃতিকে সক্রিয় করে। সেই স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত থাকা কোনো খাবার—যেমন খিচুড়ি—আরও বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়।
সব মিলিয়ে, বৃষ্টির দিনে খিচুড়ির প্রতি টান আসলে শরীর, মন ও স্মৃতির একসঙ্গে কাজ করার ফল।
প্রতিবেদকের নাম 




















