ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
 অধ্যক্ষের স্হায়ী বরখাস্তের দাবি অভিভাবক এবং এলাকাবাসীর উলিপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর লেবাননে বিস্ফোরণে ইসরাইলি সেনা নিহত জোড়া গোলের রাতে রেকর্ডবুকে কেইন, পেছনে ফেললেন মেসিকে নেতানিয়াহুকে সামলানো কঠিন, সবকিছুতে বোমা মারতে চান: ট্রাম্প জনগণের অর্থ বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে পুলিশের ১২ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার থেম্বা জোয়ানে ৩ ম্যাচ নিষিদ্ধ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

 অধ্যক্ষের স্হায়ী বরখাস্তের দাবি অভিভাবক এবং এলাকাবাসীর

 

নিজস্ব সংবাদদাতা


নওগাঁর বালাতৈড় সিদ্দিক হোসেন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ কর্তৃক মূল রেজুলেশন কাটাকাটি ও স্বাক্ষর জাল করে ভূয়া নিয়োগ দানের রেকর্ড সৃষ্টি প্রমাণিত। অভিযোগ প্রমাণিত হয়ে অধ্যক্ষের বেতন ভাতা বন্ধ করেন এবং ও অন্যান্য শাস্তি নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা।

অধ্যক্ষের জালিয়াতির জন্য বৈধ শিক্ষক মো: এরশাদ আলীর ২০ ১৯ সালের জুন জুলাই মাস থেকে প্রায় বিশ লক্ষ টাকা বেতন ভাতা আটকে রয়েছে।

শাস্তি থেকে বাঁচতে অধ্যক্ষের বর্তমানে পুনরায় নানা অনিয়ম, যড়যন্ত্র ও ক্ষমতার অপব্যবহার তুলে ধরা হলো।

আওয়ামী লীগের দোসর ও দাপট ধারী অভিযুক্ত অধ্যক্ষের নাম মোঃ আমজাদ হোসেন,

নওগাঁর ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত “বালাতৈড় সিদ্দিক হোসেন ডিগ্রি কলেজ” এর বার বার বহু সমালোচিত অধ্যক্ষ মোঃ আমজাদ হোসেনের বিভিন্ন অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় বর্তমানে অধ্যক্ষ তাঁর নিজের অপরাধ লুকানোর জন্য ও চাকরি বাচাঁতে পুনরায় কলেজে তিনি বিভিন্ন অনিয়ম, নানা ষড়যন্ত্র মিথ্যা অপবাদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করেই যাচ্ছেন অভিযোগ কারি বৈধ শিক্ষক মোঃ এরশাদ আলীর বিরুদ্ধে।
অধ্যক্ষের বিভিন্ন অনিয়ম ও জালিয়াতির সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করা হলোঃ

আরও পড়ুনঃ  এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে ৩৫ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি

(১) গত ০১/০৪/২০১৫ তারিখে কলেজের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পত্রিকা দৈনিক সমকাল ও সানশাইনে উল্লেখিত বিষয় অধ্যক্ষ পরবর্তীতে গোপনে পরিবর্তন করেছেন।

(২)শিক্ষক নিয়োগের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গত ২৮/০৬/২০১৫ তারিখের বৈধ মনোনয়ন চিঠি অধ্যক্ষ পরে গোপনে জাল করে তৈরী করেছেন বিষয় পরিবর্তন করেছেন।

(৩) ডিজি’র প্রতিনিধির গত ২৬/০৭/২০১৫ তারিখের চিঠি বৈধ চিঠি যেখানে তিনটি বিষয়ে নিয়োগ হয়েছিল। কিন্তু অধ্যক্ষ পরে গোপনে প্রকৃত চিঠির স্বাক্ষর জাল করে আটটি বিষয় বসিয়ে ভুয়া চিঠি তৈরী করেছেন।

(৪) গত ৩১/০৭/২০১৫ তারিখের C S কপি (সাক্ষাৎকার বোর্ডের ফলাফল সীট) অধ্যক্ষ পরে সকল স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া C S কপি তৈরী করেছেন অসৎ উদ্দেশ্যে।

(৫) কলেজ গভর্নিং বডির গত ২২/০৮/২০১৫ তারিখের মূল রেজুলেশন যেখানে তিনটি বিষয়ে নিয়োগের উল্লেখ ছিল। অধ্যক্ষ পরবর্তীতে ঐ মূল রেজুলেশন ব্যাপক কাটাকাটি করে তিনটির জায়গায় আটটি বিষয় বসিয়ে বিধিবহির্ভূত নিয়োগের উল্লেখ করেছে অর্থ লোভী অধ্যক্ষ যা সম্পূর্ণ অবৈধ।

(৬) গত ৩১/০৮/২০১৫ তারিখের মোঃ এরশাদ আলীর সঠিক নিয়োগ পত্রের পদ অধ্যক্ষ পরে পরিবর্তন করেছেন অসৎ উদ্দেশ্যে।

(৭) শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের গত ২৯/০৪/২০২০ তারিখের বৈধ স্মারক নং ৩৭.০০.০০০০.০৭৪.০০২.০০২.২০১৯(অংশ -৫).৮৩ এই স্মারক অধ্যক্ষ পরিবর্তন করে ৩৭.০২.০০০০.১০২.৯৯.০০১.২০.১৪ এই ভুয়া স্মারক লিখেছেন।

আরও পড়ুনঃ  সরকারি প্রাথমিকে পরীক্ষার ফি বাতিলের সিদ্ধান্ত

অধ্যক্ষের উপরোক্ত সকল জালিয়াতি রাজশাহী আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসের পরিচালক মহোদয় প্রমাণ পেয়েছেন ও লিখিত মন্তব্য করেছেন এবং অধ্যক্ষের শাস্তির জন্য মাউশি অধিদপ্তর নির্দেশনা চেয়েছেন।

শাস্তি থেকে বাঁচতে পুনরায় বর্তমানে অধ্যক্ষের নানা যড়যন্ত্র ও ক্ষমতার অপব্যবহার তুলে ধরা হলোঃ

জানা গেছে যে, অধ্যক্ষের জালিয়াতির বিষয়টি এখন মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশিতে) ঢাকাতে ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কাজ চলমান রয়েছে। অধ্যক্ষের শাস্তি নিশ্চিত হবে তা জেনে অধ্যক্ষ এখন নিজের অপরাধ লুকানোর জন্য ও নিজের চাকরি বাচাঁতে আইন ও নিয়মের সাথে না পেরে মাউশি অধিদপ্তর এবং শিক্ষা মন্ত্রনালয়কে অবজ্ঞা করে বর্তমানে কলেজে বৈধ নিয়োগ প্রাপ্ত প্রভাষক মোঃ এরশাদ আলীর সাথে ইচ্ছা কৃত ভাবে পুনরায় অনিয়ম, নানা ষড়যন্ত্র ও ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন।

জানা যায় প্রভাষক মোঃ এরশাদ আলী কলেজে উপস্থিত হওয়ার পরেও অধ্যক্ষ হাজিরা খাতা গোপন করেন এবং এরশাদ আলীকে স্বাক্ষর করতে বাধা প্রদান করেন এবং স্বাক্ষর করতে দিচ্ছেন না দীর্ঘদিন যাবত। জানা যায় অধ্যক্ষ ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রভাষক এরশাদ আলীকে কলেজের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করছেন। অধ্যক্ষ যড়যন্ত্র করে নানাভাবে এরশাদ আলীকে পাগল, মাথা টালমাতাল, অকথ্য ভাষা ও উস্কানিমূলক নানা এবং বেদনা দায়ক নানা কথাবার্তা বলছেন। অধ্যক্ষ যড়যন্ত্র করে ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে এরশাদ আলীর বিষয় (অর্থনীতিতে) ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করাতে নিষেধ করছেন ও অর্থনীতিতে ভর্তি শুন্য করে দিচ্ছেন। এমন কি অর্থনীতিতে ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীর নাম ভর্তি রেজিস্ট্রার থেকে লাল কালি দিয়ে গোপনে কেটে অধ্যক্ষ বাদ দিচ্ছেন।
এখন অধ্যক্ষ কলেজের অর্থ অপচয় ও নষ্ট করছেন এবং ছোটাছুটি করছেন শুধু নিজের চাকরি বাঁচাতে।

আরও পড়ুনঃ  চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রাথমিক স্কুলে ‘প্রক্সি শিক্ষক’ দিয়ে চলছে পাঠদান, অভিযোগ অভিভাবকদের

অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেনের স্হায়ী বরখাস্ত দাবিসহ দাবি করছেন কলেজ প্রতিষ্ঠাতা মহোদয়, কলেজ গভর্নিং বডি, অন্যান্য শিক্ষক/কর্মচারী, ছাত্র – ছাত্রী, অভিভাবক এবং কলেজ এলাকার আমজনতা।
সেই সাথে সকলে ভুক্তভোগী বৈধ প্রভাষক ( অর্থনাীতি) মোঃ এরশাদ আলীর ক্ষতি পুরন সহ বেতন ভাতা স্বল্প সময়ের মধ্যে চালুর জন্য মাউশি অধিদপ্তরের নিকট অনুরোধ করছেন কলেজের গভর্নিং বডি, উপাধ্যক্ষ, অন্যান্য সকল স্টাফ, ছাত্র- ছাত্রী ও কলেজ এলাকার আমজনতা ।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

 অধ্যক্ষের স্হায়ী বরখাস্তের দাবি অভিভাবক এবং এলাকাবাসীর

 অধ্যক্ষের স্হায়ী বরখাস্তের দাবি অভিভাবক এবং এলাকাবাসীর

আপডেটের সময়: ১০:৪৭:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

 

নিজস্ব সংবাদদাতা


নওগাঁর বালাতৈড় সিদ্দিক হোসেন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ কর্তৃক মূল রেজুলেশন কাটাকাটি ও স্বাক্ষর জাল করে ভূয়া নিয়োগ দানের রেকর্ড সৃষ্টি প্রমাণিত। অভিযোগ প্রমাণিত হয়ে অধ্যক্ষের বেতন ভাতা বন্ধ করেন এবং ও অন্যান্য শাস্তি নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা।

অধ্যক্ষের জালিয়াতির জন্য বৈধ শিক্ষক মো: এরশাদ আলীর ২০ ১৯ সালের জুন জুলাই মাস থেকে প্রায় বিশ লক্ষ টাকা বেতন ভাতা আটকে রয়েছে।

শাস্তি থেকে বাঁচতে অধ্যক্ষের বর্তমানে পুনরায় নানা অনিয়ম, যড়যন্ত্র ও ক্ষমতার অপব্যবহার তুলে ধরা হলো।

আওয়ামী লীগের দোসর ও দাপট ধারী অভিযুক্ত অধ্যক্ষের নাম মোঃ আমজাদ হোসেন,

নওগাঁর ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত “বালাতৈড় সিদ্দিক হোসেন ডিগ্রি কলেজ” এর বার বার বহু সমালোচিত অধ্যক্ষ মোঃ আমজাদ হোসেনের বিভিন্ন অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় বর্তমানে অধ্যক্ষ তাঁর নিজের অপরাধ লুকানোর জন্য ও চাকরি বাচাঁতে পুনরায় কলেজে তিনি বিভিন্ন অনিয়ম, নানা ষড়যন্ত্র মিথ্যা অপবাদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করেই যাচ্ছেন অভিযোগ কারি বৈধ শিক্ষক মোঃ এরশাদ আলীর বিরুদ্ধে।
অধ্যক্ষের বিভিন্ন অনিয়ম ও জালিয়াতির সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করা হলোঃ

আরও পড়ুনঃ  এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে ৩৫ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি

(১) গত ০১/০৪/২০১৫ তারিখে কলেজের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পত্রিকা দৈনিক সমকাল ও সানশাইনে উল্লেখিত বিষয় অধ্যক্ষ পরবর্তীতে গোপনে পরিবর্তন করেছেন।

(২)শিক্ষক নিয়োগের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গত ২৮/০৬/২০১৫ তারিখের বৈধ মনোনয়ন চিঠি অধ্যক্ষ পরে গোপনে জাল করে তৈরী করেছেন বিষয় পরিবর্তন করেছেন।

(৩) ডিজি’র প্রতিনিধির গত ২৬/০৭/২০১৫ তারিখের চিঠি বৈধ চিঠি যেখানে তিনটি বিষয়ে নিয়োগ হয়েছিল। কিন্তু অধ্যক্ষ পরে গোপনে প্রকৃত চিঠির স্বাক্ষর জাল করে আটটি বিষয় বসিয়ে ভুয়া চিঠি তৈরী করেছেন।

(৪) গত ৩১/০৭/২০১৫ তারিখের C S কপি (সাক্ষাৎকার বোর্ডের ফলাফল সীট) অধ্যক্ষ পরে সকল স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া C S কপি তৈরী করেছেন অসৎ উদ্দেশ্যে।

(৫) কলেজ গভর্নিং বডির গত ২২/০৮/২০১৫ তারিখের মূল রেজুলেশন যেখানে তিনটি বিষয়ে নিয়োগের উল্লেখ ছিল। অধ্যক্ষ পরবর্তীতে ঐ মূল রেজুলেশন ব্যাপক কাটাকাটি করে তিনটির জায়গায় আটটি বিষয় বসিয়ে বিধিবহির্ভূত নিয়োগের উল্লেখ করেছে অর্থ লোভী অধ্যক্ষ যা সম্পূর্ণ অবৈধ।

(৬) গত ৩১/০৮/২০১৫ তারিখের মোঃ এরশাদ আলীর সঠিক নিয়োগ পত্রের পদ অধ্যক্ষ পরে পরিবর্তন করেছেন অসৎ উদ্দেশ্যে।

(৭) শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের গত ২৯/০৪/২০২০ তারিখের বৈধ স্মারক নং ৩৭.০০.০০০০.০৭৪.০০২.০০২.২০১৯(অংশ -৫).৮৩ এই স্মারক অধ্যক্ষ পরিবর্তন করে ৩৭.০২.০০০০.১০২.৯৯.০০১.২০.১৪ এই ভুয়া স্মারক লিখেছেন।

আরও পড়ুনঃ  চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রাথমিক স্কুলে ‘প্রক্সি শিক্ষক’ দিয়ে চলছে পাঠদান, অভিযোগ অভিভাবকদের

অধ্যক্ষের উপরোক্ত সকল জালিয়াতি রাজশাহী আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসের পরিচালক মহোদয় প্রমাণ পেয়েছেন ও লিখিত মন্তব্য করেছেন এবং অধ্যক্ষের শাস্তির জন্য মাউশি অধিদপ্তর নির্দেশনা চেয়েছেন।

শাস্তি থেকে বাঁচতে পুনরায় বর্তমানে অধ্যক্ষের নানা যড়যন্ত্র ও ক্ষমতার অপব্যবহার তুলে ধরা হলোঃ

জানা গেছে যে, অধ্যক্ষের জালিয়াতির বিষয়টি এখন মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশিতে) ঢাকাতে ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কাজ চলমান রয়েছে। অধ্যক্ষের শাস্তি নিশ্চিত হবে তা জেনে অধ্যক্ষ এখন নিজের অপরাধ লুকানোর জন্য ও নিজের চাকরি বাচাঁতে আইন ও নিয়মের সাথে না পেরে মাউশি অধিদপ্তর এবং শিক্ষা মন্ত্রনালয়কে অবজ্ঞা করে বর্তমানে কলেজে বৈধ নিয়োগ প্রাপ্ত প্রভাষক মোঃ এরশাদ আলীর সাথে ইচ্ছা কৃত ভাবে পুনরায় অনিয়ম, নানা ষড়যন্ত্র ও ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন।

জানা যায় প্রভাষক মোঃ এরশাদ আলী কলেজে উপস্থিত হওয়ার পরেও অধ্যক্ষ হাজিরা খাতা গোপন করেন এবং এরশাদ আলীকে স্বাক্ষর করতে বাধা প্রদান করেন এবং স্বাক্ষর করতে দিচ্ছেন না দীর্ঘদিন যাবত। জানা যায় অধ্যক্ষ ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রভাষক এরশাদ আলীকে কলেজের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করছেন। অধ্যক্ষ যড়যন্ত্র করে নানাভাবে এরশাদ আলীকে পাগল, মাথা টালমাতাল, অকথ্য ভাষা ও উস্কানিমূলক নানা এবং বেদনা দায়ক নানা কথাবার্তা বলছেন। অধ্যক্ষ যড়যন্ত্র করে ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে এরশাদ আলীর বিষয় (অর্থনীতিতে) ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করাতে নিষেধ করছেন ও অর্থনীতিতে ভর্তি শুন্য করে দিচ্ছেন। এমন কি অর্থনীতিতে ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীর নাম ভর্তি রেজিস্ট্রার থেকে লাল কালি দিয়ে গোপনে কেটে অধ্যক্ষ বাদ দিচ্ছেন।
এখন অধ্যক্ষ কলেজের অর্থ অপচয় ও নষ্ট করছেন এবং ছোটাছুটি করছেন শুধু নিজের চাকরি বাঁচাতে।

আরও পড়ুনঃ  সরকারি প্রাথমিকে পরীক্ষার ফি বাতিলের সিদ্ধান্ত

অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেনের স্হায়ী বরখাস্ত দাবিসহ দাবি করছেন কলেজ প্রতিষ্ঠাতা মহোদয়, কলেজ গভর্নিং বডি, অন্যান্য শিক্ষক/কর্মচারী, ছাত্র – ছাত্রী, অভিভাবক এবং কলেজ এলাকার আমজনতা।
সেই সাথে সকলে ভুক্তভোগী বৈধ প্রভাষক ( অর্থনাীতি) মোঃ এরশাদ আলীর ক্ষতি পুরন সহ বেতন ভাতা স্বল্প সময়ের মধ্যে চালুর জন্য মাউশি অধিদপ্তরের নিকট অনুরোধ করছেন কলেজের গভর্নিং বডি, উপাধ্যক্ষ, অন্যান্য সকল স্টাফ, ছাত্র- ছাত্রী ও কলেজ এলাকার আমজনতা ।