ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
২৫ রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন ঢাবির সিনেটে জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদের সমন্বয় কমিটি গঠন ২০২৭ সালেও দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ ঘোষণা করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের-সাদ্দামসহ ৭ জনের মামলার রায় আগামী সপ্তাহে তিন চাকার ব্যাটারিচালিত রিকশার বিকল্প খুঁজতে এআইইউবির শিক্ষার্থীদের গবেষণা দুই সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ-জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জামানত ছাড়াই তরুণদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ ও অনুদান দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে ট্রাম্প-আমিরাত প্রেসিডেন্টের জরুরি ফোনালাপ না ফেরার দেশে কালবেলার সাংবাদিক সাজুর বাবা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও সম্মানী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান নেপালে ত্রাণ নিয়ে হাজির সোনু সুদ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

জামায়াতের চার নেতার বিরুদ্ধে ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

  • Arif
  • আপডেটের সময়: ১১:১৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ সময় দেখুন

কুড়িগ্রামে ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে ব্যবসার কথা বলে ১৫০ জামায়াত সদস্যের কাছ থেকে নেওয়া ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে দলটির চার নেতার বিরুদ্ধে। টাকা ফেরত ও অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী ও তাদের স্বজনরা।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে ভুক্তভোগী মজলুম পরিবারের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভুক্তভোগী সদস্য ও তাদের স্বজনরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মো. তৈয়ব আলী, নোমান বিল্লাহ, মাহফুজুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম, সাজ্জাদ হোসেন, রুহুল আমীন ও মোসলেমা বেগমসহ অনেকে।

জামায়াতের চার নেতার বিরুদ্ধে ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
বিদ্যুৎ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, বহিষ্কার ছাত্রদল নেতা
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ২০২০ সালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি শাহজালাল সবুজ, কর্মপরিষদ সদস্য রফিকুল ইসলাম (রাজারহাট), জামায়াতের রোকন আব্দুস সালাম সুজা (ফুলবাড়ী) এবং সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের বায়তুল মাল সদস্য রফিকুল ইসলাম (ভোগডাঙ্গা) ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

তাদের দাবি, ওই প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের কথা বলে কুড়িগ্রামের প্রায় ১৫০ জন জামায়াত সদস্যের কাছ থেকে ১২ কোটি টাকা নেওয়া হয়। পরে বিনিয়োগের লভ্যাংশ ও মূলধন ফেরত না দিয়ে ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগও বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

আরও পড়ুনঃ  কাস্টমস গোয়েন্দার অভিযানে প্রায় কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ

ভুক্তভোগীরা জানান, টাকা ফেরত পেতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও তারা কোনো প্রতিকার পাননি। এতে অনেক পরিবার আর্থিক সংকটে পড়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

তাদের অভিযোগ, বিষয়টি জেলা জামায়াতের আমিরকে জানানো হলে অভিযুক্তদের দলীয় সদস্যপদ স্থগিত করা হয়। তবে আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ করা হয়।

পরে সমাধান না হওয়ায় চার নেতার বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগীরা। মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি হলেও প্রশাসন তাদের গ্রেপ্তারে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভুক্তভোগীদের পাওনা ১২ কোটি টাকা ফেরতের দাবি জানান। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তারা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দেন ভুক্তভোগীরা।

আরও পড়ুনঃ  নারী উদ্যোক্তাকে পুলিশের সামনে মারধর: তদন্ত কমিটির বাজার পরিদর্শন

এ বিষয়ে সদ্য দলীয় পদ স্থগিত হওয়া জামায়াতে ইসলামী কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি শাহজালাল সবুজ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ রফিকুল ইসলামের ব্যক্তিগত ব্যবসা। ২০২০ সালে ভবিষ্যতে ব্যবসা করার জন্য তিনি, রফিকুল ইসলাম, আব্দুস সালাম সুজা ও রফিকুল ইসলামের সঙ্গে একটি যৌথ চুক্তি হয়েছিল। তবে ওই চুক্তির ভিত্তিতে কোনো ব্যবসা শুরু হয়নি। তাকে ফাঁসাতে ওই চুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

অভিযুক্ত কর্মপরিষদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি, শাহজালাল সবুজ, আব্দুস সালাম সুজা ও রফিকুল ইসলাম চারজন পরিচালক হিসেবে চুক্তির মাধ্যমে ব্যবসাটি শুরু করেন। চুক্তির বাইরে রুহুল আমীন ও মাওলানা জাহিদুল ইসলাম ব্যবসাটির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। ছয় পরিচালকই ব্যবসা থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  ইরাকের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে ৮০ কোটি ডলারের মার্কিন সহায়তা

রফিকুল ইসলাম বলেন, ভিশন এন্টারপ্রাইজের লাভ-ক্ষতির দায় ছয় পরিচালকেরই বহন করার কথা। ভুক্তভোগীদের আমানত ফেরতের বিষয়ে তিনি বারবার অন্য পরিচালকদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়েও ব্যর্থ হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, চুক্তির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে একক ক্ষমতা দেওয়ায় ব্যাংকের বিভিন্ন চেকে তার স্বাক্ষর রয়েছে। অথচ তার একক নামে ৪০টিরও বেশি মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে একটি মামলায় পরিচালকদের নামে ওয়ারেন্ট জারি হয়েছে।

চার নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা স্বীকার করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুড়িগ্রাম শাখার আমির আজিজুর রহমান স্বপন।

তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির তদন্তের ভিত্তিতে রফিকুল ইসলামের রোকনিয়াত স্থায়ীভাবে মুলতবি করে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শাহজালাল সবুজের রোকনিয়াত দুই মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

তবে অপর দুই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার তেমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেন তিনি। ভুক্তভোগীদের পাওনা টাকা ফেরতের বিষয়ে ন্যায়সংগত ও আইনসম্মত যেকোনো পদক্ষেপে জামায়াত পাশে থাকবে বলেও জানান আজিজুর রহমান স্বপন।

 

 

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

২৫ রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন ঢাবির সিনেটে জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদের সমন্বয় কমিটি গঠন

জামায়াতের চার নেতার বিরুদ্ধে ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেটের সময়: ১১:১৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুড়িগ্রামে ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে ব্যবসার কথা বলে ১৫০ জামায়াত সদস্যের কাছ থেকে নেওয়া ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে দলটির চার নেতার বিরুদ্ধে। টাকা ফেরত ও অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী ও তাদের স্বজনরা।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে ভুক্তভোগী মজলুম পরিবারের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভুক্তভোগী সদস্য ও তাদের স্বজনরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মো. তৈয়ব আলী, নোমান বিল্লাহ, মাহফুজুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম, সাজ্জাদ হোসেন, রুহুল আমীন ও মোসলেমা বেগমসহ অনেকে।

জামায়াতের চার নেতার বিরুদ্ধে ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
বিদ্যুৎ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, বহিষ্কার ছাত্রদল নেতা
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ২০২০ সালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি শাহজালাল সবুজ, কর্মপরিষদ সদস্য রফিকুল ইসলাম (রাজারহাট), জামায়াতের রোকন আব্দুস সালাম সুজা (ফুলবাড়ী) এবং সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের বায়তুল মাল সদস্য রফিকুল ইসলাম (ভোগডাঙ্গা) ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

তাদের দাবি, ওই প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের কথা বলে কুড়িগ্রামের প্রায় ১৫০ জন জামায়াত সদস্যের কাছ থেকে ১২ কোটি টাকা নেওয়া হয়। পরে বিনিয়োগের লভ্যাংশ ও মূলধন ফেরত না দিয়ে ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগও বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

আরও পড়ুনঃ  ইরাকের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে ৮০ কোটি ডলারের মার্কিন সহায়তা

ভুক্তভোগীরা জানান, টাকা ফেরত পেতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও তারা কোনো প্রতিকার পাননি। এতে অনেক পরিবার আর্থিক সংকটে পড়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

তাদের অভিযোগ, বিষয়টি জেলা জামায়াতের আমিরকে জানানো হলে অভিযুক্তদের দলীয় সদস্যপদ স্থগিত করা হয়। তবে আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ করা হয়।

পরে সমাধান না হওয়ায় চার নেতার বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগীরা। মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি হলেও প্রশাসন তাদের গ্রেপ্তারে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভুক্তভোগীদের পাওনা ১২ কোটি টাকা ফেরতের দাবি জানান। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তারা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দেন ভুক্তভোগীরা।

আরও পড়ুনঃ  অভিনেতা না হলে যে পেশায় যেতে চেয়েছিলেন অমিতাভ

এ বিষয়ে সদ্য দলীয় পদ স্থগিত হওয়া জামায়াতে ইসলামী কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি শাহজালাল সবুজ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ রফিকুল ইসলামের ব্যক্তিগত ব্যবসা। ২০২০ সালে ভবিষ্যতে ব্যবসা করার জন্য তিনি, রফিকুল ইসলাম, আব্দুস সালাম সুজা ও রফিকুল ইসলামের সঙ্গে একটি যৌথ চুক্তি হয়েছিল। তবে ওই চুক্তির ভিত্তিতে কোনো ব্যবসা শুরু হয়নি। তাকে ফাঁসাতে ওই চুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

অভিযুক্ত কর্মপরিষদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি, শাহজালাল সবুজ, আব্দুস সালাম সুজা ও রফিকুল ইসলাম চারজন পরিচালক হিসেবে চুক্তির মাধ্যমে ব্যবসাটি শুরু করেন। চুক্তির বাইরে রুহুল আমীন ও মাওলানা জাহিদুল ইসলাম ব্যবসাটির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। ছয় পরিচালকই ব্যবসা থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  বিএনপিকে ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখা যাবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

রফিকুল ইসলাম বলেন, ভিশন এন্টারপ্রাইজের লাভ-ক্ষতির দায় ছয় পরিচালকেরই বহন করার কথা। ভুক্তভোগীদের আমানত ফেরতের বিষয়ে তিনি বারবার অন্য পরিচালকদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়েও ব্যর্থ হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, চুক্তির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে একক ক্ষমতা দেওয়ায় ব্যাংকের বিভিন্ন চেকে তার স্বাক্ষর রয়েছে। অথচ তার একক নামে ৪০টিরও বেশি মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে একটি মামলায় পরিচালকদের নামে ওয়ারেন্ট জারি হয়েছে।

চার নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা স্বীকার করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুড়িগ্রাম শাখার আমির আজিজুর রহমান স্বপন।

তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির তদন্তের ভিত্তিতে রফিকুল ইসলামের রোকনিয়াত স্থায়ীভাবে মুলতবি করে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শাহজালাল সবুজের রোকনিয়াত দুই মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

তবে অপর দুই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার তেমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেন তিনি। ভুক্তভোগীদের পাওনা টাকা ফেরতের বিষয়ে ন্যায়সংগত ও আইনসম্মত যেকোনো পদক্ষেপে জামায়াত পাশে থাকবে বলেও জানান আজিজুর রহমান স্বপন।