Dhaka ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ঈদুল আজহায় সরকারি ছুটি ৭ দিন “বিএনপি নেতৃত্ব নিয়ে এনসিপি নেতার বিস্ফোরক মন্তব্য: ‘দল এখন হাইজ্যাক’” বিএনপির অনেকেই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ ঈদ পর্যন্ত রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে দোকানপাট বগুড়া সিটি কর্পোরেশন হচ্ছে, গঠিত হচ্ছে নতুন পাঁচ উপজেলা—নিকার সভায় বড় সিদ্ধান্ত হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা স্বচ্ছভাবে তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ৭ জুন শুরু হচ্ছে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন ক্যাম্পাসের পরিচিত মুখ সাদিক কায়েম, এবার জীবনের নতুন যাত্রায় “অপেক্ষা করুন, অভিযান চলছে”—আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য খাল খনন শুধু কর্মসূচি নয়, এটি একটি আন্দোলন ও বিপ্লব—পানিসম্পদমন্ত্রী এ্যানি

উখিয়া-টেকনাফে রোহিঙ্গা সংকটের চাপ, জীবিকা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

 

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে রোহিঙ্গা আশ্রয়ের প্রায় নয় বছর পর স্থানীয়দের জীবিকা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বনভূমি ও নাফ নদী ঘিরে একসময় যেসব আয়ের উৎস ছিল, সেগুলো এখন সংকুচিত হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের দাবি, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সম্প্রসারণ ও বনভূমি দখল করে অবকাঠামো নির্মাণের কারণে প্রাকৃতিক সম্পদের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে কৃষি, মাছ ধরা ও বনজ সম্পদনির্ভর জীবিকা প্রায় হারিয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  সাধারণ স্কুল থেকে বিশেষ শিশুদের আশ্রয়স্থল—ময়মনসিংহ ওয়েলফেয়ার স্কুলের অনন্য যাত্রা

একই সঙ্গে ক্যাম্পের বাইরে কিছু রোহিঙ্গার চলাচল ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, অপহরণ, মাদক ও অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যক্রমের কারণে সাধারণ মানুষের চলাফেরা সীমিত হয়ে পড়েছে।

পালংখালী এলাকার এক বাসিন্দা জানান, সীমান্ত এলাকায় এখন নিয়মিত অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির মধ্যে থাকতে হচ্ছে। পাহাড়ি এলাকায় অপহরণের ভয় এবং সীমান্ত পরিস্থিতির কারণে জীবনযাপন কঠিন হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ  পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ঢাকার একাংশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ

অন্যদিকে, স্থানীয়রা বলছেন, ক্যাম্পকেন্দ্রিক কিছু অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ডের কারণে তরুণ সমাজও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত এসব নিয়ন্ত্রণ ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে সচেতন মহল ও স্থানীয় সংগঠনগুলো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দিচ্ছে। তাদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী সমাধান ছাড়া এই সংকট আরও জটিল হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  নেত্রকোণায় মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার

স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জীবিকা ফিরিয়ে আনা এবং সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

বর্তমানে উখিয়া-টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে, যার বিপরীতে স্থানীয় জনসংখ্যা প্রায় ৫ লাখ বলে জানা গেছে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ঈদুল আজহায় সরকারি ছুটি ৭ দিন

উখিয়া-টেকনাফে রোহিঙ্গা সংকটের চাপ, জীবিকা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

আপডেটের সময়: ০৩:৪২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

 

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে রোহিঙ্গা আশ্রয়ের প্রায় নয় বছর পর স্থানীয়দের জীবিকা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বনভূমি ও নাফ নদী ঘিরে একসময় যেসব আয়ের উৎস ছিল, সেগুলো এখন সংকুচিত হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের দাবি, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সম্প্রসারণ ও বনভূমি দখল করে অবকাঠামো নির্মাণের কারণে প্রাকৃতিক সম্পদের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে কৃষি, মাছ ধরা ও বনজ সম্পদনির্ভর জীবিকা প্রায় হারিয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  সাধারণ স্কুল থেকে বিশেষ শিশুদের আশ্রয়স্থল—ময়মনসিংহ ওয়েলফেয়ার স্কুলের অনন্য যাত্রা

একই সঙ্গে ক্যাম্পের বাইরে কিছু রোহিঙ্গার চলাচল ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, অপহরণ, মাদক ও অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যক্রমের কারণে সাধারণ মানুষের চলাফেরা সীমিত হয়ে পড়েছে।

পালংখালী এলাকার এক বাসিন্দা জানান, সীমান্ত এলাকায় এখন নিয়মিত অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির মধ্যে থাকতে হচ্ছে। পাহাড়ি এলাকায় অপহরণের ভয় এবং সীমান্ত পরিস্থিতির কারণে জীবনযাপন কঠিন হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ  নেত্রকোণায় মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার

অন্যদিকে, স্থানীয়রা বলছেন, ক্যাম্পকেন্দ্রিক কিছু অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ডের কারণে তরুণ সমাজও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত এসব নিয়ন্ত্রণ ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে সচেতন মহল ও স্থানীয় সংগঠনগুলো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দিচ্ছে। তাদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী সমাধান ছাড়া এই সংকট আরও জটিল হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ফ্ল্যাট জালিয়াতি মামলা: টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে জুনে

স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জীবিকা ফিরিয়ে আনা এবং সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

বর্তমানে উখিয়া-টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে, যার বিপরীতে স্থানীয় জনসংখ্যা প্রায় ৫ লাখ বলে জানা গেছে।