ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

উখিয়া-টেকনাফে রোহিঙ্গা সংকটের চাপ, জীবিকা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

 

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে রোহিঙ্গা আশ্রয়ের প্রায় নয় বছর পর স্থানীয়দের জীবিকা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বনভূমি ও নাফ নদী ঘিরে একসময় যেসব আয়ের উৎস ছিল, সেগুলো এখন সংকুচিত হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের দাবি, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সম্প্রসারণ ও বনভূমি দখল করে অবকাঠামো নির্মাণের কারণে প্রাকৃতিক সম্পদের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে কৃষি, মাছ ধরা ও বনজ সম্পদনির্ভর জীবিকা প্রায় হারিয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  হাসপাতালে ভ্যাকসিন থাকা সত্ত্বেও রোগীকে বাইরে থেকে কিনতে বাধ্য, দুই স্বাস্থ্যকর্মী সাময়িক বরখাস্ত

একই সঙ্গে ক্যাম্পের বাইরে কিছু রোহিঙ্গার চলাচল ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, অপহরণ, মাদক ও অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যক্রমের কারণে সাধারণ মানুষের চলাফেরা সীমিত হয়ে পড়েছে।

পালংখালী এলাকার এক বাসিন্দা জানান, সীমান্ত এলাকায় এখন নিয়মিত অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির মধ্যে থাকতে হচ্ছে। পাহাড়ি এলাকায় অপহরণের ভয় এবং সীমান্ত পরিস্থিতির কারণে জীবনযাপন কঠিন হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ  এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ ঘিরে সিলেটের ৫ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন

অন্যদিকে, স্থানীয়রা বলছেন, ক্যাম্পকেন্দ্রিক কিছু অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ডের কারণে তরুণ সমাজও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত এসব নিয়ন্ত্রণ ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে সচেতন মহল ও স্থানীয় সংগঠনগুলো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দিচ্ছে। তাদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী সমাধান ছাড়া এই সংকট আরও জটিল হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  রক্তমাখা সেই জাতীয় পতাকা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিলেন জুলাইযোদ্ধা শেখ আজিজুর

স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জীবিকা ফিরিয়ে আনা এবং সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

বর্তমানে উখিয়া-টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে, যার বিপরীতে স্থানীয় জনসংখ্যা প্রায় ৫ লাখ বলে জানা গেছে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

উখিয়া-টেকনাফে রোহিঙ্গা সংকটের চাপ, জীবিকা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

আপডেটের সময়: ০৩:৪২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

 

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে রোহিঙ্গা আশ্রয়ের প্রায় নয় বছর পর স্থানীয়দের জীবিকা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বনভূমি ও নাফ নদী ঘিরে একসময় যেসব আয়ের উৎস ছিল, সেগুলো এখন সংকুচিত হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের দাবি, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সম্প্রসারণ ও বনভূমি দখল করে অবকাঠামো নির্মাণের কারণে প্রাকৃতিক সম্পদের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে কৃষি, মাছ ধরা ও বনজ সম্পদনির্ভর জীবিকা প্রায় হারিয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  এসএসসি পাসে আড়ংয়ে চাকরির সুযোগ, আবেদন ৯ আগস্ট পর্যন্ত

একই সঙ্গে ক্যাম্পের বাইরে কিছু রোহিঙ্গার চলাচল ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, অপহরণ, মাদক ও অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যক্রমের কারণে সাধারণ মানুষের চলাফেরা সীমিত হয়ে পড়েছে।

পালংখালী এলাকার এক বাসিন্দা জানান, সীমান্ত এলাকায় এখন নিয়মিত অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির মধ্যে থাকতে হচ্ছে। পাহাড়ি এলাকায় অপহরণের ভয় এবং সীমান্ত পরিস্থিতির কারণে জীবনযাপন কঠিন হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ  অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমে শিশুর ভাষা বিকাশে কী প্রভাব পড়ে?

অন্যদিকে, স্থানীয়রা বলছেন, ক্যাম্পকেন্দ্রিক কিছু অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ডের কারণে তরুণ সমাজও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত এসব নিয়ন্ত্রণ ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে সচেতন মহল ও স্থানীয় সংগঠনগুলো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দিচ্ছে। তাদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী সমাধান ছাড়া এই সংকট আরও জটিল হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ ঘিরে সিলেটের ৫ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন

স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জীবিকা ফিরিয়ে আনা এবং সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

বর্তমানে উখিয়া-টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে, যার বিপরীতে স্থানীয় জনসংখ্যা প্রায় ৫ লাখ বলে জানা গেছে।