ঢাকা ০২:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

জেলা প্রশাসকের মানবিকতায় স্বজনদের কাছে ফিরল পাঁচ মরদেহ

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় যখন পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে, তখন মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া। প্রশাসনের দ্রুত উদ্যোগ ও ব্যক্তিগত তদারকিতে নিহতদের মরদেহ সম্মানের সঙ্গে তাদের নিজ জেলা গোপালগঞ্জে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে। খবর পাওয়ার পরপরই জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ঘটনাস্থলে যান জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামান্না তাসনীম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাহিদুল হকসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা শোকাহত পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

আরও পড়ুনঃ  সময় টিভির সাবেক এমডিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতের সমন

ঘটনার ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে জেলা প্রশাসক বিশেষ উদ্যোগে রাতেই শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করেন। সাধারণত নির্ধারিত সময়ের পর ময়নাতদন্ত বন্ধ থাকলেও, মরদেহ দ্রুত স্বজনদের কাছে পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে এই ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ  গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ প্রকাশ নিষিদ্ধ—হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়

এছাড়া প্রতিকূল আবহাওয়া ও দীর্ঘ পথের কথা বিবেচনা করে মরদেহ পরিবহনের জন্য দুটি ফ্রিজিং ভ্যানের ব্যবস্থাও করেন তিনি। জেলা প্রশাসকের ভাষায়,
“মানুষ মৃত্যুর পরও তার মরদেহের মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

শুধু পরিবহন নয়, দাফন ও সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের বিষয়েও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা নিশ্চিত করা হয়।

নিহতরা হলেন—শারমিন খানম (৩৫), তার ভাই রসুল (২২), এবং শারমিন-ফোরকান দম্পতির তিন কন্যা মিম (১৬), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২)। পুলিশ ধারণা করছে, শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়া এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  বিচারকের সামনেই আদালতে বিষপান, স্বামীর জামিন বাতিল

গভীর রাতে ফ্রিজিং ভ্যানে মরদেহগুলো গোপালগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হলে সেখানে উপস্থিত অনেকেই প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। শোকের কঠিন মুহূর্তে প্রশাসনের এমন সংবেদনশীল ভূমিকা স্থানীয়দের মাঝে প্রশংসিত হয়েছে।

T ag
জনপ্রিয় পোস্ট

জেলা প্রশাসকের মানবিকতায় স্বজনদের কাছে ফিরল পাঁচ মরদেহ

আপডেটের সময়: ১১:১৪:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় যখন পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে, তখন মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া। প্রশাসনের দ্রুত উদ্যোগ ও ব্যক্তিগত তদারকিতে নিহতদের মরদেহ সম্মানের সঙ্গে তাদের নিজ জেলা গোপালগঞ্জে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে। খবর পাওয়ার পরপরই জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ঘটনাস্থলে যান জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামান্না তাসনীম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাহিদুল হকসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা শোকাহত পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

আরও পড়ুনঃ  নেপালে অবতরণের সময় বিমানে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ২৮৯ আরোহী

ঘটনার ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে জেলা প্রশাসক বিশেষ উদ্যোগে রাতেই শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করেন। সাধারণত নির্ধারিত সময়ের পর ময়নাতদন্ত বন্ধ থাকলেও, মরদেহ দ্রুত স্বজনদের কাছে পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে এই ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ  ১৮ বছর পর হত্যা মামলার রায়: তিন ভাইয়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

এছাড়া প্রতিকূল আবহাওয়া ও দীর্ঘ পথের কথা বিবেচনা করে মরদেহ পরিবহনের জন্য দুটি ফ্রিজিং ভ্যানের ব্যবস্থাও করেন তিনি। জেলা প্রশাসকের ভাষায়,
“মানুষ মৃত্যুর পরও তার মরদেহের মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

শুধু পরিবহন নয়, দাফন ও সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের বিষয়েও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা নিশ্চিত করা হয়।

নিহতরা হলেন—শারমিন খানম (৩৫), তার ভাই রসুল (২২), এবং শারমিন-ফোরকান দম্পতির তিন কন্যা মিম (১৬), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২)। পুলিশ ধারণা করছে, শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়া এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  হত্যা ও বিস্ফোরক মামলায় জামিন পেলেন সাবেক পুলিশ সুপার তানভীর ইমন

গভীর রাতে ফ্রিজিং ভ্যানে মরদেহগুলো গোপালগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হলে সেখানে উপস্থিত অনেকেই প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। শোকের কঠিন মুহূর্তে প্রশাসনের এমন সংবেদনশীল ভূমিকা স্থানীয়দের মাঝে প্রশংসিত হয়েছে।