
জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় বুধবার এক ব্যতিক্রমী ও হাস্যরসাত্মক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতিকে কেন্দ্র করে দুই মন্ত্রী অতিরিক্ত বক্তব্যের সময় পান বলে জানা গেছে।
নির্ধারিত সময় অনুযায়ী স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে আট মিনিট সময় দেওয়া হয়। তবে তিনি অতিরিক্ত সময় চেয়ে বিভিন্ন উদাহরণ টেনে আবেদন জানান। পরে ডেপুটি স্পিকার শর্ত জুড়ে দেন—তার এলাকার দুটি হাসপাতাল উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে। মন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সম্মতি দিলে তিনি বাড়তি সময় পান।
এরপর সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বক্তব্য দিতে গিয়ে নির্ধারিত সময়ের পর আরও সময় না পাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি ইঙ্গিত করেন, অন্য মন্ত্রী প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে তুলনামূলক বেশি সময় পেয়েছেন।
ডেপুটি স্পিকার বিষয়টি হালকা ভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করে বলেন, তার নির্বাচনী এলাকায় শিল্পকলা একাডেমি ও সাংস্কৃতিক অবকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে, তাই সময় বণ্টনে পার্থক্য হয়েছে।
পরে সংস্কৃতিমন্ত্রী তার এলাকার জন্য শিল্পকলা একাডেমি ও বাদ্যযন্ত্র সরবরাহের আশ্বাস দিলে তিনি আরও কিছু সময় বক্তব্য রাখার সুযোগ পান।
পুরো ঘটনাকে ঘিরে সংসদে এক ধরনের হাস্যরসের পরিবেশ তৈরি হয়, যা অধিবেশনকে কিছু সময়ের জন্য প্রাণবন্ত করে তোলে।





















