Dhaka ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ঈদুল আজহায় সরকারি ছুটি ৭ দিন “বিএনপি নেতৃত্ব নিয়ে এনসিপি নেতার বিস্ফোরক মন্তব্য: ‘দল এখন হাইজ্যাক’” বিএনপির অনেকেই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ ঈদ পর্যন্ত রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে দোকানপাট বগুড়া সিটি কর্পোরেশন হচ্ছে, গঠিত হচ্ছে নতুন পাঁচ উপজেলা—নিকার সভায় বড় সিদ্ধান্ত হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা স্বচ্ছভাবে তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ৭ জুন শুরু হচ্ছে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন ক্যাম্পাসের পরিচিত মুখ সাদিক কায়েম, এবার জীবনের নতুন যাত্রায় “অপেক্ষা করুন, অভিযান চলছে”—আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য খাল খনন শুধু কর্মসূচি নয়, এটি একটি আন্দোলন ও বিপ্লব—পানিসম্পদমন্ত্রী এ্যানি

মার্কিন জাহাজে হামলায় ‘কামিকাজে ডলফিন’ ব্যবহার করবে ইরান—দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য

 


মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ইরান প্রশিক্ষিত ডলফিন ব্যবহার করতে পারে—এমন একটি দাবি ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনের পর বিষয়টি সামনে আসে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সমুদ্রে মাইন বহনের কাজে প্রশিক্ষিত স্তন্যপায়ী প্রাণি—বিশেষ করে ডলফিন—সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এ বিষয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  “ঘরোয়া ক্রিকেটই অনেক খেলোয়াড়ের একমাত্র জীবিকা: তাওহীদ হৃদয়”

তিনি আরও বলেন, ইরানের এমন কোনো ডলফিন বাহিনী রয়েছে—এমন প্রমাণ তাদের কাছে নেই। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ডলফিন কর্মসূচি নিয়েও তিনি বিস্তারিত মন্তব্য এড়িয়ে যান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্র অভিযানে ডলফিন ও সি লায়ন ব্যবহার করার ইতিহাস রয়েছে। ১৯৫৯ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী ডলফিন প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে, যেগুলো মূলত পানির নিচে মাইন শনাক্তের কাজে ব্যবহৃত হয়।

আরও পড়ুনঃ  ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘাত আবারও তীব্র হওয়ার শঙ্কা

তবে পেন্টাগনের দাবি, এসব প্রাণিকে কখনোই আক্রমণাত্মক বা আত্মঘাতী কাজে ব্যবহার করা হয় না, বরং নিরাপত্তা ও শনাক্তকরণ কার্যক্রমেই তাদের ভূমিকা সীমিত।

অন্যদিকে ইরানের ক্ষেত্রে ডলফিন ব্যবহার নিয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি রয়েছে। অতীতে রাশিয়া থেকে কিছু ডলফিন সংগ্রহের খবর পাওয়া গেলেও বর্তমানে কোনো সক্রিয় কর্মসূচির প্রমাণ নেই বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৪৪ হাজার ৯৫৫ বাংলাদেশি হজযাত্রী

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে এ ধরনের দাবি নতুন করে কৌতূহল ও বিতর্ক তৈরি করেছে, যদিও এর বাস্তব ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ঈদুল আজহায় সরকারি ছুটি ৭ দিন

মার্কিন জাহাজে হামলায় ‘কামিকাজে ডলফিন’ ব্যবহার করবে ইরান—দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য

আপডেটের সময়: ০২:৫০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

 


মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ইরান প্রশিক্ষিত ডলফিন ব্যবহার করতে পারে—এমন একটি দাবি ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনের পর বিষয়টি সামনে আসে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সমুদ্রে মাইন বহনের কাজে প্রশিক্ষিত স্তন্যপায়ী প্রাণি—বিশেষ করে ডলফিন—সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এ বিষয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের মা বেগম জেবুন্নেছার ইন্তেকাল

তিনি আরও বলেন, ইরানের এমন কোনো ডলফিন বাহিনী রয়েছে—এমন প্রমাণ তাদের কাছে নেই। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ডলফিন কর্মসূচি নিয়েও তিনি বিস্তারিত মন্তব্য এড়িয়ে যান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্র অভিযানে ডলফিন ও সি লায়ন ব্যবহার করার ইতিহাস রয়েছে। ১৯৫৯ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী ডলফিন প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে, যেগুলো মূলত পানির নিচে মাইন শনাক্তের কাজে ব্যবহৃত হয়।

আরও পড়ুনঃ  “লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের ড্রোন পড়ে যাওয়ায় উত্তেজনা, বিজিবির হেফাজতে উদ্ধার”

তবে পেন্টাগনের দাবি, এসব প্রাণিকে কখনোই আক্রমণাত্মক বা আত্মঘাতী কাজে ব্যবহার করা হয় না, বরং নিরাপত্তা ও শনাক্তকরণ কার্যক্রমেই তাদের ভূমিকা সীমিত।

অন্যদিকে ইরানের ক্ষেত্রে ডলফিন ব্যবহার নিয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি রয়েছে। অতীতে রাশিয়া থেকে কিছু ডলফিন সংগ্রহের খবর পাওয়া গেলেও বর্তমানে কোনো সক্রিয় কর্মসূচির প্রমাণ নেই বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘাত আবারও তীব্র হওয়ার শঙ্কা

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে এ ধরনের দাবি নতুন করে কৌতূহল ও বিতর্ক তৈরি করেছে, যদিও এর বাস্তব ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।