
Israel ও Hezbollah-এর মধ্যে যুদ্ধবিরতির অল্প সময়ের মধ্যেই আবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে Beirut-এ। বুধবার রাজধানীর দক্ষিণাঞ্চলে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এতে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান শান্তি প্রচেষ্টা ও সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমঝোতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী Israel Katz এক যৌথ বিবৃতিতে দাবি করেছেন, হামলার লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহর বিশেষ ইউনিট ‘রাদওয়ান ফোর্স’-এর এক কমান্ডার। ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, ওই কমান্ডার নিহত হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি হিজবুল্লাহ বা লেবাননের সেনাবাহিনী।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় Lebanon ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ চললেও আপাতত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের সম্ভাবনা নাকচ করেছেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী Nawaf Salam। তিনি বলেছেন, লেবানন শুধু সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা চায়। এজন্য দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের সুস্পষ্ট সময়সূচি প্রয়োজন বলে মনে করছে বৈরুত। একই সঙ্গে দেশের সব অস্ত্র রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়েও সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট Joseph Aoun বলেছেন, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকলে নেতানিয়াহুর সঙ্গে কোনো ধরনের বৈঠকের পরিবেশ তৈরি হবে না।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump সম্প্রতি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো এবং চলতি বছরের মধ্যেই একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তির আশা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু বৈরুতে নতুন হামলার পর সেই সম্ভাবনা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
শুরু থেকেই হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের বিরোধিতা করে আসছে। বিষয়টি লেবাননের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও বিভাজন তৈরি করেছে। এদিকে ইসরায়েল দাবি করছে, উত্তরাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা লেবাননের ভেতরে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে একটি নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে। তবে রাজধানী বৈরুতের কাছাকাছি এলাকায় নতুন হামলার ঘটনায় আবারও বড় ধরনের আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















