৪৮ দলের বিশ্বকাপ থেকে হাইতির পর দ্বিতীয় দল হিসেবে বিদায় নিশ্চিত হলো তুরস্কের। গ্রুপ ‘ডি’ এর ম্যাচে প্যারাগুয়ের কাছে ১-০ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়েছে তারা।
বিশ্বকাপে তুরস্কের প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে ছিল ব্যাপক প্রত্যাশা। ২০০২ সালের পর দীর্ঘ ২৪ বছর পর তারা আবার ফুটবলের মহামঞ্চে ফিরেছিল। আর্দা গুলের, হাকান চালহানগ্লু ও কেনান ইলদিজদের মতো তারকা নিয়ে তাদের ‘ডার্ক হর্স’ হিসেবেও বিবেচনা করা হচ্ছিল। কিন্তু দুই ম্যাচেই হতাশ করেছে তুর্কিরা।
ম্যাচের শুরুতেই ধাক্কা খায় তুরস্ক। মাত্র ৬৪ সেকেন্ডে ম্যাতিয়াস গালারজার গোলে এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে। এরপর পুরো ম্যাচে বলের দখল (প্রায় ৭২ শতাংশ) এবং ২৪টি শট নিয়েও গোলের দেখা পায়নি তুরস্ক।
আরও বড় চমক ছিল, দ্বিতীয়ার্ধের বেশিরভাগ সময় প্যারাগুয়ে ১০ জন নিয়ে খেললেও তুরস্ক সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে মিগুয়েল আলমিরন সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।
গ্রুপ ‘ডি’তে দুই ম্যাচে দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আগেই নকআউট নিশ্চিত করেছে। অস্ট্রেলিয়া ও প্যারাগুয়ে ৩ পয়েন্ট করে নিয়ে অবস্থান করছে। অন্যদিকে তুরস্ক দুই ম্যাচে দুই হারে শূন্য পয়েন্ট নিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে।
গণিত অনুযায়ী, শেষ ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে হারালেও সর্বোচ্চ ৩ পয়েন্টে পৌঁছাতে পারবে তুরস্ক। কিন্তু অন্য ম্যাচের ফল ও হেড-টু-হেড বিবেচনায় তাদের জন্য আর কোনো সম্ভাবনা অবশিষ্ট নেই।
এই বিশ্বকাপে তুরস্কের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ২-০ এবং দ্বিতীয় ম্যাচে প্যারাগুয়ের কাছে ১-০ গোলে হেরে তারা একটিও গোল করতে পারেনি, হজম করেছে তিনটি গোল।
প্রতিবেদকের নাম 

























