বাংলাদেশ ও নেপালের সাংস্কৃতিক ও পেশাগত সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে রাজধানীর উত্তরা লিবার্টি ক্লাব লিমিটেডে (ইউএলসিএল) অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক সম্মাননা অনুষ্ঠান ‘গ্লোবাল এক্সিলেন্স অনার ২০২৬’।
বাংলাদেশের আইডিয়া এক্সচেঞ্জ এবং নেপালের বিলক্ষণ ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিল্প, সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম, সংগীত, গবেষণা, ব্যবসা ও সামাজিক নেতৃত্বে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ ও নেপালের মোট ৪৬ জন ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ৩০ জন এবং নেপাল থেকে ১৬ জনকে সম্মানিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশিষ্টদের উপস্থিতি
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল্লাহ। সার্বিক আয়োজন ও সমন্বয়ে নেতৃত্ব দেন আইডিয়া এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র নির্মাতা খন্দকার সুমন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিলক্ষণ ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান ডাব্বু ক্ষেত্রি। তার উপস্থিতিতে সম্মাননাপ্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট, সনদপত্র ও উত্তরীয় তুলে দেওয়া হয়।
সম্মাননাপ্রাপ্তদের তালিকা
বাংলাদেশ থেকে সম্মাননাপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা খিজির হায়াত খান, আকতানিন খায়ের তানিন, সুপিন বর্মণ, শ্যামল শিশির, প্রযোজক শরিফ উল আনোয়ার সজ্জন, অভিনেত্রী নাজিয়া হক অর্ষা, মৌসুমী হামিদ, মার্শিয়া শাওন, তাসমিতা শিমু, আইনূন পুতুল, কাজী নওশাবা আহমেদ ও আফসানা মিমি, অভিনেতা মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, ফজলুল হক, সরকার রওনক রিপন, মোহাম্মদ রফিক ও মো. রকিবুল হাসান (রাকিব), সাংবাদিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মাসুম অপু, আহমেদ তাওকির, আহমেদ জামান শিমুল, আল মাহমুদ মনজুর ও আহমেদ তেপান্তর, পাশাপাশি সংগীতশিল্পী, কলামিস্ট ও সমাজকর্মীরা।
অনুষ্ঠানে আধ্যাত্মিক সংগীতশিল্পী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল কুদ্দুস, লালনসংগীত শিল্পী আকরাম হোসেন এবং গজল শিল্পী সৈয়দ ইসমাইল হোসেনকেও সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠান আয়োজন ও পরিবেশনা
অনুষ্ঠানটি দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয়। পরে সম্মাননা প্রদান পর্ব অনুষ্ঠিত হয় এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। শেষে নৈশভোজ ও সৌহার্দ্য বিনিময়ের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।
আয়োজকদের বক্তব্য
আইডিয়া এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার সুমন বলেন, এই আয়োজন কেবল একটি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান নয়, বরং বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা ও পেশাগত উৎকর্ষের সেতুবন্ধন।
বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়, সহযোগিতা ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করবে।
প্রতিবেদকের নাম 


























