বাংলাদেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট আজ (১১ জুন) বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। এটি হবে সদ্য গঠিত তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট, যা উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
প্রস্তাবিত বাজেটের আকার দাঁড়াতে পারে প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ বাজেট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বাজেটের মূল লক্ষ্য ও প্রেক্ষাপট
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র অনুযায়ী, এবারের বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে—
- মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ
- বিনিয়োগ বাড়ানো
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি
- খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ
- সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ
- নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন
দেশে বর্তমানে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৯.৪২%, যা নিয়ন্ত্রণে আনা বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সম্ভাব্য বাজেট কাঠামো
- মোট বাজেট: ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা
- জিডিপি লক্ষ্য: ৬৮ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা
- প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য: ৬.৫ শতাংশ
- মূল্যস্ফীতি লক্ষ্য: ৭.৫ শতাংশ
নতুন বাজেটে অগ্রাধিকার পাওয়া খাত
১. উদ্যোক্তা ও SME খাত
- উদ্যোক্তা উন্নয়ন তহবিল: ২২৫ কোটি টাকা
- SME তহবিল: ২ হাজার কোটি টাকা
২. সামাজিক নিরাপত্তা
- ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি
- কৃষক কার্ড কর্মসূচি
- সামাজিক সুরক্ষা বরাদ্দ বৃদ্ধি
৩. বেতন ও কর্মসংস্থান
- সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের সম্ভাবনা
- নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশেষ উদ্যোগ
৪. ডিজিটাল ও প্রশাসনিক সংস্কার
- “বাংলাবিজ” ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা
- এনবিআর সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজেশন
- অনলাইন ট্যাক্স রিটার্ন ও ই-রিফান্ড ব্যবস্থা
বড় চ্যালেঞ্জ কী?
অর্থনীতিবিদদের মতে, এবারের বাজেটের প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো হলো—
- উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ
- রাজস্ব আদায় ২৩% বৃদ্ধি করা
- ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানো
- বিনিয়োগ আস্থা ফিরিয়ে আনা
- জ্বালানি ও ভর্তুকির চাপ সামলানো
বিশেষ মন্তব্য
বিশ্লেষকদের মতে, বাজেট সফল করতে হলে—
- ব্যবসায়িক আস্থা ফিরিয়ে আনা
- কর্মসংস্থান বাড়ানো
- জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো
- এবং অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি
প্রতিবেদকের নাম 




















