ঢাকা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম শাহজালালের কঠোর নিরাপত্তা পেরিয়ে ৩১ রাউন্ড তাজা গুলিসহ বিমানে ব্যবসায়ী ইরান যুদ্ধের প্রভাবে চরম মানসিক চাপে মার্কিন নৌসেনারা ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ নিয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ, ইউএনওকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ সঞ্চয়পত্রের উৎসে কর পুনর্বহালসহ ৪ দাবি ঢাকা ট্যাক্সেস বারের রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক যুগ্ম সচিব জগলুল পাশা রাজধানীতে নির্মাণাধীন ভবনের দেয়াল ধসে শিশুর মৃত্যু, আহত ২ গ্যাস সংকটে জামালপুর-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে চালকদের অবরোধ বগুড়ায় নিষিদ্ধ রাসায়নিক দিয়ে তৈরি ৩০ কেজি জিলাপি ধ্বংস নিজেদের স্বার্থেই শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত: রিজভী
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

অর্থবছরের ২০ দিন বাকি থাকতেই ৩৪ বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স

  • Arif
  • আপডেটের সময়: ০৯:৩৮:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • ৩১ সময় দেখুন

এই ধারা চলতে থাকলে অর্থবছর শেষে রেমিটেন্সের পরিমাণ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
অর্থবছরের ২০ দিন বাকি থাকতেই ৩৪ বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের ইতিবাচক প্রবাহ ঈদের পরও অব্যাহত থাকায় অর্থবছরের ২০ দিন বাকি থাকতেই প্রবাসী আয় পৌঁছেছে প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা আশা করছেন, ৩০ জুন ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে রেমিটেন্সের পরিমাণ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান শুক্রবার রেমিটেন্সের হালনাগাদ তথ্য দেন।

তাতে দেখা যায়, বিদায়ী অর্থবছরের শেষ মাস জুনের প্রথম ১০ দিনে ১২০ কোটি ৩১ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা। এই অঙ্ক গত বছরের জুনের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ২৬ শতাংশ বেশি।

সব মিলিয়ে বিদায়ী অর্থবছরের ১১ মাস ১০ দিনে (২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে এ বছরের ১০ জুন) ৩ হাজার ৩৯৬ কোটি (প্রায় ৩৪ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

আরও পড়ুনঃ  পেলে-বেকেনবাওয়ারের ক্লাবে যাচ্ছেন বাংলাদেশের শামিত!

রেমিটেন্সের এই পরিমাণ গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৯ দশমিক ৩১ শতাংশ বেশি। আর পুরো বছরের (২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৫ সালের ৩০ জুন) চেয়ে বেশি ১২ শতাংশ।

জুনের শেষ ২০ দিনে এই হারে রেমিটেন্স এলে মাস শেষে প্রবাসী আয়ের অঙ্ক ৩৬০ কোটি (৩.৬০ বিলিয়ন) ডলার ছাড়িয়ে যাবে; যা হবে একক মাসের হিসাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। আর অর্থবছর শেষে ছাড়াবে ৩৬ বিলিয়ন (৩ হাজার ৬০০ কোটি) ডলার।

গত বছরের জুনের প্রথম ১০ দিনে এসেছিল ৯৫ কোটি ৬২ লাখ ডলার। পুরো মাসে এসেছিল ২৮২ কোটি ২৫ লাখ (২.৮২ বিলিয়ন)।

এক মাসে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছিল গত মার্চ মাসে, ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ডলার। মে মাসে আসে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

আরও পড়ুনঃ  এসএসসিতে শতভাগ পাস ৬৬৯ প্রতিষ্ঠানে, কেউ পাস করেনি ৩১২টিতে

টানা ৬ মাস তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিটেন্স দেশে এসেছে। জুনে ৩ বিলিয়ন ছাড়ালে টানা ৭ মাস হবে।

গত ২৮ মে দেশে কোরবানির ঈদ উদযাপিত হয়। এ উৎসব সামনে রেখে পরিবার-পরিজনের প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে বেশি টাকা পাঠানোয় মে মাসে বেশি রেমিটেন্স এসেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।

গত মার্চে যে পৌনে ৪ বিলিয়ন ডলার এসেছিল, সেটা রোজার ঈদের কারণে এসেছিল বলে জানান তিনি।

আরিফ খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “অতীতে দেখা গেছে, ঈদের পর সাধারণত রেমিটেন্স প্রবাহ বেশ কমে যায়। কিন্তু এবার দুই ঈদের পরও প্রবাসী আয়ের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে।

“তাই সব মিলিয়ে আমরা হিসাব করে দেখেছি, এবার অর্থবছর শেষে রেমিটেন্স ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।”

আরও পড়ুনঃ  জুলাইয়ে ২০২ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি

তিনি বলেন, ইরান যুদ্ধের কারণে রেমিটেন্স প্রবাহ কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হলেও এখন পর্যন্ত তেমন কোনো প্রভাব দেখা যায়নি।

রেমিটেন্সে প্রতি ডলারে এখন ১২৩ টাকা দিচ্ছে ব্যাংকগুলো। সে হিসাবে জুন মাসের ১০ দিনে ১৪ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। প্রতিদিনে গড়ে এসেছে ১২ কোটি ৩ লাখ ডলার; বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ হজার ৪৭৮ কোটি টাকা।

দেশের অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলোর মধ্যে এখন রেমিটেন্সই সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছে, যা সঙ্কটে পড়া অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে যাচ্ছে।

আর রেমিটেন্সের ওপর ভর করে বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভও স্বস্তিদায়ক অবস্থায় আছে।

গত সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভে ছিল ৩০ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলার। আর গ্রস বা মোট হিসাবে ছিল ৩৪ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

অর্থবছরের ২০ দিন বাকি থাকতেই ৩৪ বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স

আপডেটের সময়: ০৯:৩৮:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

এই ধারা চলতে থাকলে অর্থবছর শেষে রেমিটেন্সের পরিমাণ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
অর্থবছরের ২০ দিন বাকি থাকতেই ৩৪ বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের ইতিবাচক প্রবাহ ঈদের পরও অব্যাহত থাকায় অর্থবছরের ২০ দিন বাকি থাকতেই প্রবাসী আয় পৌঁছেছে প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা আশা করছেন, ৩০ জুন ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে রেমিটেন্সের পরিমাণ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান শুক্রবার রেমিটেন্সের হালনাগাদ তথ্য দেন।

তাতে দেখা যায়, বিদায়ী অর্থবছরের শেষ মাস জুনের প্রথম ১০ দিনে ১২০ কোটি ৩১ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা। এই অঙ্ক গত বছরের জুনের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ২৬ শতাংশ বেশি।

সব মিলিয়ে বিদায়ী অর্থবছরের ১১ মাস ১০ দিনে (২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে এ বছরের ১০ জুন) ৩ হাজার ৩৯৬ কোটি (প্রায় ৩৪ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

আরও পড়ুনঃ  বাংলা কিউআর লেনদেনে মার্চেন্ট ফি নেই, মিলবে প্রণোদনাও

রেমিটেন্সের এই পরিমাণ গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৯ দশমিক ৩১ শতাংশ বেশি। আর পুরো বছরের (২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৫ সালের ৩০ জুন) চেয়ে বেশি ১২ শতাংশ।

জুনের শেষ ২০ দিনে এই হারে রেমিটেন্স এলে মাস শেষে প্রবাসী আয়ের অঙ্ক ৩৬০ কোটি (৩.৬০ বিলিয়ন) ডলার ছাড়িয়ে যাবে; যা হবে একক মাসের হিসাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। আর অর্থবছর শেষে ছাড়াবে ৩৬ বিলিয়ন (৩ হাজার ৬০০ কোটি) ডলার।

গত বছরের জুনের প্রথম ১০ দিনে এসেছিল ৯৫ কোটি ৬২ লাখ ডলার। পুরো মাসে এসেছিল ২৮২ কোটি ২৫ লাখ (২.৮২ বিলিয়ন)।

এক মাসে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছিল গত মার্চ মাসে, ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ডলার। মে মাসে আসে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

আরও পড়ুনঃ  এসএসসিতে শতভাগ পাস ৬৬৯ প্রতিষ্ঠানে, কেউ পাস করেনি ৩১২টিতে

টানা ৬ মাস তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিটেন্স দেশে এসেছে। জুনে ৩ বিলিয়ন ছাড়ালে টানা ৭ মাস হবে।

গত ২৮ মে দেশে কোরবানির ঈদ উদযাপিত হয়। এ উৎসব সামনে রেখে পরিবার-পরিজনের প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে বেশি টাকা পাঠানোয় মে মাসে বেশি রেমিটেন্স এসেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।

গত মার্চে যে পৌনে ৪ বিলিয়ন ডলার এসেছিল, সেটা রোজার ঈদের কারণে এসেছিল বলে জানান তিনি।

আরিফ খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “অতীতে দেখা গেছে, ঈদের পর সাধারণত রেমিটেন্স প্রবাহ বেশ কমে যায়। কিন্তু এবার দুই ঈদের পরও প্রবাসী আয়ের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে।

“তাই সব মিলিয়ে আমরা হিসাব করে দেখেছি, এবার অর্থবছর শেষে রেমিটেন্স ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।”

আরও পড়ুনঃ  ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা

তিনি বলেন, ইরান যুদ্ধের কারণে রেমিটেন্স প্রবাহ কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হলেও এখন পর্যন্ত তেমন কোনো প্রভাব দেখা যায়নি।

রেমিটেন্সে প্রতি ডলারে এখন ১২৩ টাকা দিচ্ছে ব্যাংকগুলো। সে হিসাবে জুন মাসের ১০ দিনে ১৪ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। প্রতিদিনে গড়ে এসেছে ১২ কোটি ৩ লাখ ডলার; বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ হজার ৪৭৮ কোটি টাকা।

দেশের অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলোর মধ্যে এখন রেমিটেন্সই সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছে, যা সঙ্কটে পড়া অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে যাচ্ছে।

আর রেমিটেন্সের ওপর ভর করে বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভও স্বস্তিদায়ক অবস্থায় আছে।

গত সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভে ছিল ৩০ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলার। আর গ্রস বা মোট হিসাবে ছিল ৩৪ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার।