ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বিশ্বকাপ শেষে অনুশীলনে ফিরলেন মেসি, কলম্বাসের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারেন ন্যাটোর সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে অভিযোগ উত্তর কোরিয়ার পটিয়ায় কলা চুরির সন্দেহে বাকবিতণ্ডা, পিটিয়ে হত্যা; গ্রেপ্তার ১ রাজধানীর দুই মেট্রো স্টেশনে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ জামায়াতকে নিষিদ্ধের তিন দিনের মাথায় সরকার পালাতে বাধ্য হয়েছিল: ডা. শফিকুর রহমান পাকিস্তানে কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ৩২ বাঁশখালীতে মৎস্যঘের দখল নিয়ে গোলাগুলি, নিহত ১ শিক্ষার্থীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী সাময়িক বরখাস্ত রাজধানীর পাশে কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির কারখানায় র‌্যাবের অভিযান, আটক ৪ ফিফার নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে বাংলাদেশের গ্রুপেই খেলবে নেপাল
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

ন্যাটোর সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে অভিযোগ উত্তর কোরিয়ার

উত্তর কোরিয়া অভিযোগ করেছে, জ্বালানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ সংঘাতের জন্য সামরিক প্রস্তুতি দ্রুত জোরদার করছে ন্যাটো। পিয়ংইয়ংয়ের দাবি, জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা আধুনিকায়নের এই উদ্যোগ ন্যাটোর আগ্রাসী সামরিক জোটে পরিণত হওয়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ (KCNA)-তে প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে ইউরোপজুড়ে ন্যাটোর সামরিক জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের পরিকল্পনার কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে ফোনে ব্যস্ত, কান্নায় বিরক্ত হয়ে ৩ বছরের সন্তানকে হত্যার অভিযোগ

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিম ইউরোপের সঙ্গে নতুন পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলীয় সদস্য দেশগুলোকে যুক্ত করতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ এবং জ্বালানি মজুত কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। কেসিএনএর দাবি, এই প্রকল্প ন্যাটোর কৌশলগত যুদ্ধ মজুত সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টারই অংশ।

উত্তর কোরিয়ার দাবি, ন্যাটো শুধু ইউরোপ নয়, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকেও সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জোটটি ইউরোপ ও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তাকে একসূত্রে দেখিয়ে কৌশলগত সামরিক সম্পদ ওই অঞ্চলে মোতায়েন করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  চীনে ভয়াবহ ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১

এছাড়া কোরীয় উপদ্বীপের আশপাশে সামরিক শক্তি প্রদর্শন এবং রিম অব দ্য প্যাসিফিক (রিমপ্যাক)-এর মতো বহুজাতিক সামরিক মহড়ায় ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর অংশগ্রহণকে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেছে পিয়ংইয়ং।

আরও পড়ুনঃ  তিন দিনের সফরে আজ ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গর

উত্তর কোরিয়ার মতে, ন্যাটোর সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ও লজিস্টিক অবকাঠামো সম্প্রসারণের লক্ষ্য বিশ্বজুড়ে দ্রুত সামরিক অভিযান পরিচালনা করা, যা আন্তর্জাতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

তবে ন্যাটো বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের অবস্থান সম্পূর্ণ রক্ষণাত্মক। জোটটির মূল উদ্দেশ্য সদস্য দেশগুলোর যৌথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য হুমকি প্রতিরোধ করা।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বিশ্বকাপ শেষে অনুশীলনে ফিরলেন মেসি, কলম্বাসের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারেন

ন্যাটোর সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে অভিযোগ উত্তর কোরিয়ার

আপডেটের সময়: ০১:৫১:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

উত্তর কোরিয়া অভিযোগ করেছে, জ্বালানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ সংঘাতের জন্য সামরিক প্রস্তুতি দ্রুত জোরদার করছে ন্যাটো। পিয়ংইয়ংয়ের দাবি, জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা আধুনিকায়নের এই উদ্যোগ ন্যাটোর আগ্রাসী সামরিক জোটে পরিণত হওয়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ (KCNA)-তে প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে ইউরোপজুড়ে ন্যাটোর সামরিক জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের পরিকল্পনার কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে ফোনে ব্যস্ত, কান্নায় বিরক্ত হয়ে ৩ বছরের সন্তানকে হত্যার অভিযোগ

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিম ইউরোপের সঙ্গে নতুন পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলীয় সদস্য দেশগুলোকে যুক্ত করতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ এবং জ্বালানি মজুত কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। কেসিএনএর দাবি, এই প্রকল্প ন্যাটোর কৌশলগত যুদ্ধ মজুত সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টারই অংশ।

উত্তর কোরিয়ার দাবি, ন্যাটো শুধু ইউরোপ নয়, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকেও সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জোটটি ইউরোপ ও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তাকে একসূত্রে দেখিয়ে কৌশলগত সামরিক সম্পদ ওই অঞ্চলে মোতায়েন করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  নাইজেরিয়ায় ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা, ৮ শিশুসহ নিহত অন্তত ৩০

এছাড়া কোরীয় উপদ্বীপের আশপাশে সামরিক শক্তি প্রদর্শন এবং রিম অব দ্য প্যাসিফিক (রিমপ্যাক)-এর মতো বহুজাতিক সামরিক মহড়ায় ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর অংশগ্রহণকে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেছে পিয়ংইয়ং।

আরও পড়ুনঃ  যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৩ বছরের জন্য এলএনজি আমদানির নীতিগত অনুমোদন

উত্তর কোরিয়ার মতে, ন্যাটোর সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ও লজিস্টিক অবকাঠামো সম্প্রসারণের লক্ষ্য বিশ্বজুড়ে দ্রুত সামরিক অভিযান পরিচালনা করা, যা আন্তর্জাতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

তবে ন্যাটো বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের অবস্থান সম্পূর্ণ রক্ষণাত্মক। জোটটির মূল উদ্দেশ্য সদস্য দেশগুলোর যৌথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য হুমকি প্রতিরোধ করা।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি