পটুয়াখালীর কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী কাম গৃহশিক্ষক জলিলুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি এ সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, জলিলুর রহমান বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বাড়িতে গিয়ে ইংরেজি বিষয়ে প্রাইভেট পড়াতেন। একপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তাদের একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ উঠেছিল।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জলিলুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি জহিরুল ইসলাম জানান, অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠার পর গত সোমবার চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই জলিলুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে প্রায় তিন মাস আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র (টিসি) দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে, মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দ্রষ্টব্য: যেহেতু বিষয়টি একজন শিক্ষার্থীকে ঘিরে এবং সম্ভাব্য যৌন শোষণের অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা উচিত নয়। তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির সত্যতা নির্ধারিত হবে।
প্রতিবেদকের নাম 





















