সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের পুঁজিবাজারে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। আগের দিনের শক্তিশালী উত্থানের পর কিছু শেয়ারে মুনাফা গ্রহণের চাপ তৈরি হলেও প্রধান সূচকগুলোতে বড় ধরনের পতন এড়াতে সক্ষম হয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।
ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সামান্য ২.৬৬ পয়েন্ট বা ০.০৫ শতাংশ কমে ৫,৫১৬.৮২ পয়েন্টে অবস্থান করে। তবে শরিয়াভিত্তিক ডিএসইএস সূচক ২.৬৯ পয়েন্ট বেড়ে ১,১১৪.১৩ পয়েন্টে দাঁড়ায় এবং ডিএস-৩০ সূচক প্রায় অপরিবর্তিত থাকে।
লেনদেন হওয়া ৩৯১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪৯টির দর বেড়েছে, ১৭৮টির কমেছে এবং ৬৪টির দর অপরিবর্তিত ছিল। বাজারে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১,২১০ কোটি টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা কম।
বিশ্লেষকদের মতে, আগের দিনের বড় উত্থানের পর এটি একটি স্বাভাবিক ‘কনসোলিডেশন’ পর্ব। তবে ব্যাংক, ওষুধ ও টেলিযোগাযোগ খাতের কয়েকটি শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করেছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের মাঝারি পতন দেখা গেছে। সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স ৪৪.৬৩ পয়েন্ট কমে ৯,৩৬৫.৬৫ পয়েন্টে এবং সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ০.৪৮ শতাংশ কমে ১৫,২৪৪.২১ পয়েন্টে অবস্থান করে।
তবে সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ২৪.৩৩ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















