ঢাকা ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সাইফুলকে আধুনিক কৃত্রিম পা সংযোজন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শিশুকে স্পেসএক্সের শেয়ার উপহার দেওয়ার পরিকল্পনা ইলন মাস্কের টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলির পর সালমান খানের বাড়িতে নিরাপত্তা জোরদার হাতিয়ায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ১৫ হাজার কেজি লাল চিনি জব্দ জ্বালানি খাত এখন অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে: অর্থমন্ত্রী সিলেটে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী কুমারী পূজা সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: দূতাবাসের ভূমিকা স্পষ্ট করার আহ্বান জামায়াত আমিরের শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: রাষ্ট্রপতি ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ইয়েমেনে সামরিক শিবিরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ৫৩
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আপসহীন থাকবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

সাভার সেনানিবাসে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীর বাংলাদেশের প্রধান অঙ্গীকার। একই সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে আরও দক্ষ, পেশাদার ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সশস্ত্র বাহিনীর মর্যাদা রক্ষার আহ্বান

অনুষ্ঠানে নিজের স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে তিনি সেনাবাহিনীর পরিবেশেই বেড়ে উঠেছেন। তাঁর মতে, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর হাতে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে। এই সম্মান ও পতাকার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা প্রত্যেক সেনাসদস্যের দায়িত্ব।

আরও পড়ুনঃ  বিএনপির মুখে জুলাই সনদ, অন্তরে আওয়ামী লীগ: হাসনাত আবদুল্লাহ

সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসের সঙ্গে সেনাবাহিনীর অবদান গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে। ১৯৭১ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উই রিভোল্ট’ উচ্চারণের মাধ্যমে তিনি সৈনিকদের ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। ২৬ মার্চ স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা এবং ২৭ মার্চ পুনরায় ঘোষণা পাঠের বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন।

আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ার উদ্যোগ

পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ভূরাজনীতি ও সামরিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বজুড়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং যুদ্ধের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এসব পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।

আরও পড়ুনঃ  মোটরসাইকেল চালকদের জন্য নতুন নির্দেশনা, সামনের নম্বরপ্লেট লাগানোর শেষ সময় ১৫ নভেম্বর

দেশের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে অভ্যন্তরীণভাবে প্রয়োজনীয় গোলাবারুদ ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের উদ্যোগ জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ‘ওয়ান র‍্যাংক, ওয়ান পেনশন’ নীতি বাস্তবায়নের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সাত সেনা ইউনিট পেল জাতীয় পতাকা

বক্তব্যের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় আত্মমর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করবে না বাংলাদেশ। পাশাপাশি বিশ্বের বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রাম বন্দরে ৩২৩ টিইইউ বিপজ্জনক রাসায়নিক, বৈরুতের মতো দুর্ঘটনার শঙ্কা

অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে গুরুত্বপূর্ণ অভিযান, সন্ত্রাস দমন এবং শান্তিরক্ষা মিশনসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সেনাবাহিনীর সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করেন তিনি।

জাতীয় পতাকাপ্রাপ্ত ইউনিটগুলো হলো—৭ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, ৯ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাটালিয়ন, ৫৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ৫৭ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সাইফুলকে আধুনিক কৃত্রিম পা সংযোজন

জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আপসহীন থাকবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০২:৩৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

সাভার সেনানিবাসে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীর বাংলাদেশের প্রধান অঙ্গীকার। একই সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে আরও দক্ষ, পেশাদার ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সশস্ত্র বাহিনীর মর্যাদা রক্ষার আহ্বান

অনুষ্ঠানে নিজের স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে তিনি সেনাবাহিনীর পরিবেশেই বেড়ে উঠেছেন। তাঁর মতে, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর হাতে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে। এই সম্মান ও পতাকার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা প্রত্যেক সেনাসদস্যের দায়িত্ব।

আরও পড়ুনঃ  জ্বালানি নিরাপত্তায় সৌদি আরব-কাতারের সহায়তা চায় বাংলাদেশ, এলএনজি ও নবায়নযোগ্য খাতে বিনিয়োগে জোর

সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসের সঙ্গে সেনাবাহিনীর অবদান গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে। ১৯৭১ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উই রিভোল্ট’ উচ্চারণের মাধ্যমে তিনি সৈনিকদের ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। ২৬ মার্চ স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা এবং ২৭ মার্চ পুনরায় ঘোষণা পাঠের বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন।

আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ার উদ্যোগ

পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ভূরাজনীতি ও সামরিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বজুড়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং যুদ্ধের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এসব পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।

আরও পড়ুনঃ  হাসপাতাল, স্কুল ও সরকারি স্থাপনায় প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, দিলেন একাধিক নির্দেশনা

দেশের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে অভ্যন্তরীণভাবে প্রয়োজনীয় গোলাবারুদ ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের উদ্যোগ জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ‘ওয়ান র‍্যাংক, ওয়ান পেনশন’ নীতি বাস্তবায়নের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সাত সেনা ইউনিট পেল জাতীয় পতাকা

বক্তব্যের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় আত্মমর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করবে না বাংলাদেশ। পাশাপাশি বিশ্বের বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  বিদেশে বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে মামলা হলে ঢাকাকে জানানোর প্রত্যাশা

অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে গুরুত্বপূর্ণ অভিযান, সন্ত্রাস দমন এবং শান্তিরক্ষা মিশনসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সেনাবাহিনীর সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করেন তিনি।

জাতীয় পতাকাপ্রাপ্ত ইউনিটগুলো হলো—৭ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, ৯ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাটালিয়ন, ৫৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ৫৭ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট।