
ডিম প্রোটিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলেও বাইরে থেকে দেখে এটি টাটকা নাকি পুরোনো—বোঝা সবসময় সহজ নয়। তাই কিছু সহজ কৌশল জানা থাকলে বাজার থেকেই ডিমের মান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
অনেক সময় প্যাকেটে লেখা তারিখ দেখে ডিমের সতেজতা বোঝা যায় না, কারণ সেটি প্যাকেজিং বা বাজারজাত করার তারিখ হতে পারে, ডিম পাড়ার নয়।
সবচেয়ে সহজ পরীক্ষা হলো পানিতে ডিম পরীক্ষা করা। একটি পাত্রে পানি নিয়ে ডিম ছাড়লে যদি সেটি তলিয়ে গিয়ে শুয়ে থাকে, তাহলে ডিমটি টাটকা। কিছুটা দাঁড়িয়ে থাকলে সেটি মাঝামাঝি পুরোনো। আর যদি ভেসে ওঠে, তাহলে সেটি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
ডিম ভাঙার পরও সতেজতা বোঝা যায়। টাটকা ডিমের সাদা অংশ ঘন থাকে এবং কুসুম থাকে উঁচু ও গোলাকার। পুরোনো ডিমে সাদা অংশ পাতলা হয়ে যায় এবং কুসুম চ্যাপ্টা হয়ে পড়ে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো গন্ধ। ডিম ভাঙার পর তীব্র দুর্গন্ধ বা সালফারের মতো গন্ধ পাওয়া গেলে সেটি অবশ্যই ফেলে দেওয়া উচিত।
ডিম ভালো রাখতে সংরক্ষণও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ডিম ফ্রিজে রাখা এবং সম্ভব হলে কার্টনের ভেতর সংরক্ষণ করলে তা দীর্ঘদিন সতেজ থাকে।
প্রতিবেদকের নাম 

























