ঢাকা ০৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
৫৭ বছর বয়সে ৫৮ সন্তানের বাবা, ভরণপোষণ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন আফগানিস্তানের সাদিক মাগুরায় যুবদল নেতা শাকের হত্যার বিচারের দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে চালু হচ্ছে এনইআইআর, অবৈধ মোবাইল বন্ধের উদ্যোগ ট্রাম্পের ‘মাদার অব অল বোম্বস’-এর জবাবে নতুন অস্ত্র উন্মোচনের ঘোষণা ইরানের হিমছড়িতে সাগরে ডুবে নিখোঁজ ৬ পর্যটকের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার এনসিপি সরকার গঠন করলে কোন মন্ত্রণালয় চান পাটওয়ারী, জানালেন অন্যদের সম্ভাব্য দায়িত্বও সুন্দরবন ও হিরণ পয়েন্ট পরিদর্শন শেষে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাজেক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন শফিকুর রহমানের, সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান প্রথমবার ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস’ পুরস্কার নিতে স্পেনে যাচ্ছেন মেসি টেস্ট ক্রিকেটে ইতিহাস গড়লেন মিচেল স্টার্ক, ভাঙলেন ১৪৯ বছরের রেকর্ড
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

মাগুরায় যুবদল নেতা শাকের হত্যার বিচারের দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৩:০৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৬ সময় দেখুন

দেশে অবৈধ মোবাইল ফোন আমদানি, উৎপাদন ও অনুমোদনহীন বিক্রির মাধ্যমে বছরে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি রোধে জাতীয় যন্ত্রপাতি শনাক্তকরণ নিবন্ধন ব্যবস্থা (এনইআইআর) পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে এ ব্যবস্থা চালু করা হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মূল্যায়নে বলা হয়েছে, অবৈধ মোবাইল ফোনের কারণে সরকার প্রতিবছর প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। বিটিআরসির কমিশন সভায় উপস্থাপিত কার্যপত্রেও এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিকল্পনার প্রথম ধাপে এনইআইআরের মূল কার্যক্রম চালু করা হবে। তবে তখনই হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিলের ব্যবস্থা কার্যকর হবে না। বর্তমানে মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্কে সচল থাকা ফোনগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। পাশাপাশি অনুমোদিত আমদানিকারক ও দেশীয় উৎপাদকদের কাছে অবিক্রীত ফোনের আইএমইআই নম্বরও ব্যবস্থাটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  হাতিয়ায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ১৫ হাজার কেজি লাল চিনি জব্দ

এ ছাড়া বিদেশ থেকে অবৈধভাবে আনা, চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে প্রবেশ করা এবং শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে বাজারজাত করা ফোন শনাক্ত করে বন্ধ করার ব্যবস্থা থাকবে। দ্বিতীয় ধাপে উপযুক্ত সময়ে হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিলের কার্যক্রম চালু করা হবে। এর মাধ্যমে ফোনের মালিকানা যাচাই, ক্লোন হ্যান্ডসেট শনাক্ত এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় (এমএফএস) জালিয়াতি প্রতিরোধের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

বিটিআরসির স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট (এসএম) বিভাগের মহাপরিচালক কমিশন সভায় এনইআইআর পুনরায় চালুর বিষয়ে বিস্তারিত কার্যপত্র উপস্থাপন করেন। এতে বলা হয়, ২০২১ সালের ১ জুলাই পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবস্থা চালু হলেও তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্তে অবৈধভাবে আমদানি করা ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করা এবং ক্লোন হ্যান্ডসেট প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমগুলো চালু হয়নি। ফলে ব্যবস্থাটি প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়েছে।

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করবে বিটিআরসির এসএম বিভাগ। দুই ধাপে এনইআইআর চালুর বিষয়ে সরকারের পূর্বানুমোদন চেয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে।

আরও পড়ুনঃ  সুন্দরবন পরিদর্শন শেষে খুলনার দাকোপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাজস্ব ফাঁকি বন্ধ, টেলিযোগাযোগ খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবিলায় বিভিন্ন সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর দাবি জানিয়ে আসছে। ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর এনবিআর অবৈধ হ্যান্ডসেটের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি বন্ধে বিটিআরসিকে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানায়। পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালের ২৮ জুন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ পরিকল্পনাটি পুনরায় চালুর বিষয়ে প্রাথমিক অনুমোদন দেয়।

২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের আন্তমন্ত্রণালয় সভায় দেশের সব নেটওয়ার্কে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর নির্দেশনা দেওয়া হয়। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি থাকলেও জনভোগান্তি এড়াতে ফোন বন্ধ করার গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমগুলো তখন কার্যকর করা হয়নি।

পরে ২০২৬ সালের ৯ জুন নিরাপত্তা সংস্থাগুলো অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তাঝুঁকির কথা উল্লেখ করে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। একই বছরের ২ জুলাই আইএমইআই, সিম নিবন্ধন এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় জালিয়াতির ঝুঁকি নিয়ে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায়ও ব্যবস্থাটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর সুপারিশ করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  আজ মহাষ্টমী ও কুমারী পূজা, রামকৃষ্ণ মিশনে বিশেষ আয়োজন

সর্বশেষ ২২ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের সভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ওই সভায় ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে এনইআইআর চালুর সুপারিশ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, অনিবন্ধিত, চোরাই ও ক্লোন হ্যান্ডসেট সংঘবদ্ধ অপরাধ, মোবাইল ফোন চুরি এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত প্রতিটি যন্ত্রের পরিচয় ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা প্রয়োজন বলে মনে করছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো।

এদিকে, ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শুধু দ্বিতীয় প্রজন্মের (২জি) নেটওয়ার্ক-সমর্থিত মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধে পর্যায়ক্রমিক রূপরেখাও অনুমোদন করেছে বিটিআরসি। এ পরিকল্পনার আওতায় এসব ফোনের অনুমোদন, উৎপাদন, আমদানি ও বাজারজাতকরণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

৫৭ বছর বয়সে ৫৮ সন্তানের বাবা, ভরণপোষণ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন আফগানিস্তানের সাদিক

মাগুরায় যুবদল নেতা শাকের হত্যার বিচারের দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ

আপডেটের সময়: ০৩:০৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

দেশে অবৈধ মোবাইল ফোন আমদানি, উৎপাদন ও অনুমোদনহীন বিক্রির মাধ্যমে বছরে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি রোধে জাতীয় যন্ত্রপাতি শনাক্তকরণ নিবন্ধন ব্যবস্থা (এনইআইআর) পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে এ ব্যবস্থা চালু করা হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মূল্যায়নে বলা হয়েছে, অবৈধ মোবাইল ফোনের কারণে সরকার প্রতিবছর প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। বিটিআরসির কমিশন সভায় উপস্থাপিত কার্যপত্রেও এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিকল্পনার প্রথম ধাপে এনইআইআরের মূল কার্যক্রম চালু করা হবে। তবে তখনই হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিলের ব্যবস্থা কার্যকর হবে না। বর্তমানে মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্কে সচল থাকা ফোনগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। পাশাপাশি অনুমোদিত আমদানিকারক ও দেশীয় উৎপাদকদের কাছে অবিক্রীত ফোনের আইএমইআই নম্বরও ব্যবস্থাটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  অনুমোদন ছিল না, অনিরাপদ ঘোষণার পরও চালু ছিল টুপটুপ রিসোর্ট

এ ছাড়া বিদেশ থেকে অবৈধভাবে আনা, চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে প্রবেশ করা এবং শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে বাজারজাত করা ফোন শনাক্ত করে বন্ধ করার ব্যবস্থা থাকবে। দ্বিতীয় ধাপে উপযুক্ত সময়ে হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিলের কার্যক্রম চালু করা হবে। এর মাধ্যমে ফোনের মালিকানা যাচাই, ক্লোন হ্যান্ডসেট শনাক্ত এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় (এমএফএস) জালিয়াতি প্রতিরোধের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

বিটিআরসির স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট (এসএম) বিভাগের মহাপরিচালক কমিশন সভায় এনইআইআর পুনরায় চালুর বিষয়ে বিস্তারিত কার্যপত্র উপস্থাপন করেন। এতে বলা হয়, ২০২১ সালের ১ জুলাই পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবস্থা চালু হলেও তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্তে অবৈধভাবে আমদানি করা ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করা এবং ক্লোন হ্যান্ডসেট প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমগুলো চালু হয়নি। ফলে ব্যবস্থাটি প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়েছে।

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করবে বিটিআরসির এসএম বিভাগ। দুই ধাপে এনইআইআর চালুর বিষয়ে সরকারের পূর্বানুমোদন চেয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে।

আরও পড়ুনঃ  ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তার

রাজস্ব ফাঁকি বন্ধ, টেলিযোগাযোগ খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবিলায় বিভিন্ন সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর দাবি জানিয়ে আসছে। ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর এনবিআর অবৈধ হ্যান্ডসেটের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি বন্ধে বিটিআরসিকে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানায়। পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালের ২৮ জুন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ পরিকল্পনাটি পুনরায় চালুর বিষয়ে প্রাথমিক অনুমোদন দেয়।

২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের আন্তমন্ত্রণালয় সভায় দেশের সব নেটওয়ার্কে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর নির্দেশনা দেওয়া হয়। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি থাকলেও জনভোগান্তি এড়াতে ফোন বন্ধ করার গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমগুলো তখন কার্যকর করা হয়নি।

পরে ২০২৬ সালের ৯ জুন নিরাপত্তা সংস্থাগুলো অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তাঝুঁকির কথা উল্লেখ করে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। একই বছরের ২ জুলাই আইএমইআই, সিম নিবন্ধন এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় জালিয়াতির ঝুঁকি নিয়ে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায়ও ব্যবস্থাটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর সুপারিশ করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  জ্বালানি খাত এখন অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে: অর্থমন্ত্রী

সর্বশেষ ২২ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের সভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ওই সভায় ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে এনইআইআর চালুর সুপারিশ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, অনিবন্ধিত, চোরাই ও ক্লোন হ্যান্ডসেট সংঘবদ্ধ অপরাধ, মোবাইল ফোন চুরি এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত প্রতিটি যন্ত্রের পরিচয় ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা প্রয়োজন বলে মনে করছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো।

এদিকে, ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শুধু দ্বিতীয় প্রজন্মের (২জি) নেটওয়ার্ক-সমর্থিত মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধে পর্যায়ক্রমিক রূপরেখাও অনুমোদন করেছে বিটিআরসি। এ পরিকল্পনার আওতায় এসব ফোনের অনুমোদন, উৎপাদন, আমদানি ও বাজারজাতকরণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।