ন্যাটো-এর সদস্য দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে বড় পরিসরে সেনা মোতায়েন করে রেখেছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপে মার্কিন সেনার উপস্থিতি কয়েকটি প্রধান দেশজুড়ে বিস্তৃত, যেখানে সবচেয়ে বেশি রয়েছে জার্মানি-তে।
ইউরোপে মার্কিন সেনা সংখ্যা (প্রধান দেশগুলো)
- জার্মানি: প্রায় ৩৬ হাজারের বেশি
- ইতালি: ১২ হাজারেরও বেশি
- যুক্তরাজ্য: প্রায় ১০ হাজারের কাছাকাছি
- স্পেন: প্রায় ৪ হাজার
জার্মানি একাই ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক উপস্থিতির কেন্দ্র। সেখানে রামস্টাইন এয়ার বেস-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি রয়েছে।
তাদের মূল ভূমিকা কী?
ইউরোপে মার্কিন সেনাদের ভূমিকা মূলত কয়েকটি স্তরে ভাগ করা যায়—
১. ন্যাটো প্রতিরক্ষা
তারা ইউরোপের সামষ্টিক নিরাপত্তা কাঠামো শক্তিশালী করে, বিশেষ করে রাশিয়ার মতো সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায়।
২. কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র
জার্মানির স্টুটগার্টে থাকা মার্কিন ইউরোপীয় কমান্ড (EUCOM) থেকে ইউরোপ ও আফ্রিকায় সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
৩. কৌশলগত ঘাঁটি ব্যবহার
বিভিন্ন দেশে থাকা বিমান ও নৌঘাঁটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র—
- দ্রুত সৈন্য মোতায়েন
- মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় অভিযান
- গোয়েন্দা ও নজরদারি কার্যক্রম চালায়
৪. ইউক্রেন যুদ্ধ পরবর্তী ভূমিকা
২০২২ সালের রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের পর ইউরোপে সেনা সংখ্যা বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো দেশগুলোর প্রতিরক্ষা জোরদার করে।
ইউরোপে মার্কিন সেনা উপস্থিতি শুধু প্রতিরক্ষা নয়, বরং রাজনৈতিক ও কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষার অংশ হিসেবেও কাজ করে। তবে সাম্প্রতিক কিছু সিদ্ধান্ত ও সেনা পুনর্বিন্যাসের কারণে এই উপস্থিতি আবার পরিবর্তনের পথে যেতে পারে।
প্রতিবেদকের নাম 




















