ঢাকা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের সতর্কবার্তা

  • Arif
  • আপডেটের সময়: ০৯:০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ৬ সময় দেখুন

ভারী বৃষ্টির কারণে নদ-নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় দেশের উত্তরের নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এছাড়াও নেত্রকোনার কামলাকান্দা, সিলেটের কানাইঘাট, ফেঞ্জুগঞ্জ এবং বাগেরহাটের মোংলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সংবাদমাধ্যমকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান বলেন, ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে নদনদীর পানি বেড়ে উত্তরের চার জেলায় সাময়িকভাবে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এ অবস্থা আগামী ৫দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন ২৮ জুন

‘ভারী বৃষ্টির কারণে ওই চার জেলায় নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে আগামী কয়েকদিন স্থায়ী স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে’, বলেছেন বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী নুসরাত জাহান জেরিন।

সতর্ক বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বুলেটিনে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল বেড়েছে এবং আগামী তিন দিন এ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

আগামী ৭২ ঘণ্টায় এসব নদীর পানি নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলার কোথাও কোথাও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে সাময়িক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  কর্ড লাইনে দুই ঘণ্টা সাশ্রয়, ৩ ঘণ্টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম যাত্রা!

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার নিচে থাকলেও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, রংপুর, সিলেট ও খুলনা বিভাগসহ উজানের ভারতের অরুণাচল প্রদেশে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হয়েছে, যা নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

আগামী পাঁচ দিন রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় অঞ্চলে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি আরও বাড়তে পারে, যদিও তা বিপৎসীমার নিচেই থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ২০২৫–২৬ অর্থবছরে রেমিট্যান্সে বড় প্রবৃদ্ধি, ৩৪.৫৭ বিলিয়ন ডলার আয়

গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে এবং আগামী কয়েক দিন তা অপরিবর্তিত থাকতে পারে, এরপর কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বাড়ছে এবং আগামী তিন দিনে তা সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতা বা প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানায়, ময়মনসিংহ বিভাগের সোমেশ্বরী, জিঞ্জিরাম, কংস ও ভুগাই নদীর পানিও ওঠানামা করছে। আগামী দিনগুলোতে এসব নদীর পানি আরও বাড়তে পারে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

নদীভাঙন কবলিত মানুষের পাশে এবিজি

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের সতর্কবার্তা

আপডেটের সময়: ০৯:০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

ভারী বৃষ্টির কারণে নদ-নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় দেশের উত্তরের নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এছাড়াও নেত্রকোনার কামলাকান্দা, সিলেটের কানাইঘাট, ফেঞ্জুগঞ্জ এবং বাগেরহাটের মোংলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সংবাদমাধ্যমকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান বলেন, ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে নদনদীর পানি বেড়ে উত্তরের চার জেলায় সাময়িকভাবে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এ অবস্থা আগামী ৫দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  বেড়ায় যমুনার ভাঙনে আতঙ্ক, নদীপাড়ে চরম উদ্বেগ

‘ভারী বৃষ্টির কারণে ওই চার জেলায় নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে আগামী কয়েকদিন স্থায়ী স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে’, বলেছেন বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী নুসরাত জাহান জেরিন।

সতর্ক বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বুলেটিনে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল বেড়েছে এবং আগামী তিন দিন এ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

আগামী ৭২ ঘণ্টায় এসব নদীর পানি নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলার কোথাও কোথাও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে সাময়িক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  দেশের রাজনীতিতে এ মুহূর্তে আওয়ামী লীগ প্রাসঙ্গিক নয়: আসিফ মাহমুদ

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার নিচে থাকলেও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, রংপুর, সিলেট ও খুলনা বিভাগসহ উজানের ভারতের অরুণাচল প্রদেশে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হয়েছে, যা নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

আগামী পাঁচ দিন রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় অঞ্চলে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি আরও বাড়তে পারে, যদিও তা বিপৎসীমার নিচেই থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ডি পল বিশ্বকাপের সবচেয়ে সুদর্শন ফুটবলার, শীর্ষে এআই র‍্যাঙ্কিং

গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে এবং আগামী কয়েক দিন তা অপরিবর্তিত থাকতে পারে, এরপর কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বাড়ছে এবং আগামী তিন দিনে তা সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতা বা প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানায়, ময়মনসিংহ বিভাগের সোমেশ্বরী, জিঞ্জিরাম, কংস ও ভুগাই নদীর পানিও ওঠানামা করছে। আগামী দিনগুলোতে এসব নদীর পানি আরও বাড়তে পারে।