ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সড়ক নিরাপত্তার বার্তা দিতেন যারা, সড়ক দুর্ঘটনাতেই ঝরল তাঁদের প্রাণ বিয়ের ২০ দিনের মাথায় স্ত্রীর চলে যাওয়ার অভিযোগ, ‘মামাসহ’ গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা চট্টগ্রামে নাশতা কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে অন্তঃসত্ত্বাকে মারধরের অভিযোগ, ৯ দিন পর মৃত্যু পূজার ছুটি শেষে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু, ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য আমি মাদরাসার বিপক্ষে নই, লেবাসধারী চরিত্রহীনদের বিরুদ্ধে: শাহজালাল রুমি মাদরাসায় অশালীন ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ধর্মমন্ত্রী চুমু দেওয়া একজন শিক্ষকের কাজ নয়: রাশেদ খান গাজীপুরে গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে, কাজ করেছে ফায়ার সার্ভিসের ৯ ইউনিট ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আশঙ্কা, বিশ্ববাজারে তেলের দামে নতুন রেকর্ড চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নতুন আইন হচ্ছে: আইজিপি
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

বাড়ির আঙিনায় পাশাপাশি দাফন বাবা-মেয়ে, হাসপাতালে স্বজন হারানোর খবর জানেন না মা-ছেলে

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৭ সময় দেখুন

পূজার ছুটিতে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বাবা ও মেয়ে। নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম (৫০) ও তাঁর মেয়ে তাছফিয়া আক্তারের (৯) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। অন্যদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শহিদুলের স্ত্রী ও ছেলে এখনো তাঁদের মৃত্যুর খবর জানেন না।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে হযরত ইয়ার উদ্দিন খলিফা (র.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে বাড়ির আঙিনায় পাশাপাশি তাঁদের দাফন করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাবা-মেয়ের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছায়। মির্জাগঞ্জ উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে থানা-সংলগ্ন এলাকায় তাঁদের বাড়ি।

আরও পড়ুনঃ  ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার কমাতে মেনে চলুন ৬টি সহজ নিয়ম

একই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শহিদুলের স্ত্রী মোসা. রুবিনা আক্তার (৪০) ও ছেলে লাবিব (১১) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে স্বামী ও মেয়ের মৃত্যুর খবর এখনো তাঁদের জানানো হয়নি। এর আগে তাঁদের নাটোর ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

শহিদুল ইসলাম মাগুরায় ব্র্যাক ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন। তাঁর স্ত্রী রুবিনা আক্তার মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী পূবালী ব্যাংক শাখার কর্মকর্তা বলে জানা গেছে।

নিহত শহিদুলের বড় ভাই মো. ফারুক হাওলাদার জানান, পূজার ছুটিতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাজশাহীতে ভায়রার বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন শহিদুল। গত সোমবার বিকেল ৪টার দিকে স্ত্রী রুবিনা, মেয়ে তাছফিয়া ও ছেলে লাবিবকে নিয়ে মির্জাগঞ্জ থেকে স্বামীর কর্মস্থল মাগুরায় যান রুবিনা। সেখান থেকে মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাসে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হন শহিদুল।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামে নাশতা কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে অন্তঃসত্ত্বাকে মারধরের অভিযোগ, ৯ দিন পর মৃত্যু

পথে নাটোরে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি ট্রাকের সঙ্গে তাঁদের বহনকারী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শহিদুল ও তাঁর মেয়ে তাছফিয়ার মৃত্যু হয়।

ফারুক হাওলাদার বলেন, একটি দুর্ঘটনায় তাঁদের পরিবারের সবকিছু ওলটপালট হয়ে গেছে। তাঁর ভাই ও ভাতিজি ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। অন্যদিকে শহিদুলের স্ত্রী রুবিনা ও ছেলে লাবিব ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন। তাঁদের এখনো মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  কুমিল্লায় টিকটক-ফেসবুকে অস্ত্র বিক্রির প্রচার, যুবক আটক

গত মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত ৩২ জন।

বাবা-মেয়ের জানাজা ও দাফনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান। তিনি জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানা-পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়নি। পুলিশ নিজ উদ্যোগে খোঁজখবর নিয়েছে এবং জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করতে নিরাপত্তা দিয়েছে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

সড়ক নিরাপত্তার বার্তা দিতেন যারা, সড়ক দুর্ঘটনাতেই ঝরল তাঁদের প্রাণ

বাড়ির আঙিনায় পাশাপাশি দাফন বাবা-মেয়ে, হাসপাতালে স্বজন হারানোর খবর জানেন না মা-ছেলে

আপডেটের সময়: ১০:১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

পূজার ছুটিতে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বাবা ও মেয়ে। নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম (৫০) ও তাঁর মেয়ে তাছফিয়া আক্তারের (৯) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। অন্যদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শহিদুলের স্ত্রী ও ছেলে এখনো তাঁদের মৃত্যুর খবর জানেন না।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে হযরত ইয়ার উদ্দিন খলিফা (র.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে বাড়ির আঙিনায় পাশাপাশি তাঁদের দাফন করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাবা-মেয়ের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছায়। মির্জাগঞ্জ উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে থানা-সংলগ্ন এলাকায় তাঁদের বাড়ি।

আরও পড়ুনঃ  কুমিল্লায় টিকটক-ফেসবুকে অস্ত্র বিক্রির প্রচার, যুবক আটক

একই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শহিদুলের স্ত্রী মোসা. রুবিনা আক্তার (৪০) ও ছেলে লাবিব (১১) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে স্বামী ও মেয়ের মৃত্যুর খবর এখনো তাঁদের জানানো হয়নি। এর আগে তাঁদের নাটোর ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

শহিদুল ইসলাম মাগুরায় ব্র্যাক ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন। তাঁর স্ত্রী রুবিনা আক্তার মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী পূবালী ব্যাংক শাখার কর্মকর্তা বলে জানা গেছে।

নিহত শহিদুলের বড় ভাই মো. ফারুক হাওলাদার জানান, পূজার ছুটিতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাজশাহীতে ভায়রার বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন শহিদুল। গত সোমবার বিকেল ৪টার দিকে স্ত্রী রুবিনা, মেয়ে তাছফিয়া ও ছেলে লাবিবকে নিয়ে মির্জাগঞ্জ থেকে স্বামীর কর্মস্থল মাগুরায় যান রুবিনা। সেখান থেকে মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাসে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হন শহিদুল।

আরও পড়ুনঃ  সিদ্ধিরগঞ্জে ফার্নেস অয়েলের গুদামে আগুন, আধা ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে

পথে নাটোরে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি ট্রাকের সঙ্গে তাঁদের বহনকারী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শহিদুল ও তাঁর মেয়ে তাছফিয়ার মৃত্যু হয়।

ফারুক হাওলাদার বলেন, একটি দুর্ঘটনায় তাঁদের পরিবারের সবকিছু ওলটপালট হয়ে গেছে। তাঁর ভাই ও ভাতিজি ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। অন্যদিকে শহিদুলের স্ত্রী রুবিনা ও ছেলে লাবিব ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন। তাঁদের এখনো মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

গত মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত ৩২ জন।

বাবা-মেয়ের জানাজা ও দাফনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান। তিনি জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানা-পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়নি। পুলিশ নিজ উদ্যোগে খোঁজখবর নিয়েছে এবং জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করতে নিরাপত্তা দিয়েছে।