
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা জোরালো হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমেছে। একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা এবং তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা স্বর্ণবাজারেও প্রভাব ফেলছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৮ জুন স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩২১ দশমিক ৪৯ ডলারে নেমেছে। এর আগে শুক্রবার প্রায় ৩ শতাংশ দরপতন ঘটে, যা গত মার্চের পর সর্বনিম্ন অবস্থান। একই সঙ্গে আগস্ট ডেলিভারির মার্কিন স্বর্ণের ফিউচারও কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৪৫ দশমিক ৬০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রত্যাশার চেয়ে ভালো মার্কিন কর্মসংস্থান প্রতিবেদন এবং সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা স্বর্ণের ওপর চাপ তৈরি করেছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক উত্তেজনার কারণে তেলের দাম বাড়ায় মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকিও বেড়েছে।
অন্যদিকে, চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক টানা ১৯তম মাসের মতো স্বর্ণের রিজার্ভ বাড়িয়েছে। বর্তমানে দেশটির রিজার্ভ প্রায় ৭৫ মিলিয়ন ফাইন ট্রয় আউন্সে পৌঁছেছে। তবে ভারত ও চীনের বাজারে ক্রেতাদের অপেক্ষাকৃত কম আগ্রহের কারণে স্বর্ণের চাহিদা কিছুটা দুর্বল রয়েছে।
বিশ্ববাজারে দাম কমার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এর আগে ৬ জুন স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমানো হয়। বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৩৩ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দরপতনের ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম আরও সমন্বয় করা হতে পারে।
প্রতিবেদকের নাম 




















