
ইয়েমেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সমঝোতার মাধ্যমে ইরান তার প্রতিরোধ ও স্থিতিশীল অবস্থান প্রমাণ করেছে।
সানা ওই বিবৃতিতে জানায়, ‘জিহাদ, প্রতিরোধ ও শক্ত অবস্থানই আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর ও কম ব্যয়বহুল পথ।’ একইসঙ্গে ইয়েমেন সরকার এই অর্জনের জন্য ইরানকে অভিনন্দন জানিয়েছে।
এদিকে মধ্য এশিয়ার দেশ তাজিকিস্তানও ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমোমালি রহমান ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানকে পাঠানো এক বার্তায় আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ পশ্চিম এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি ও আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখবে। তিনি তেহরান ও দুশানবের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অন্যদিকে সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের চলমান সভাপতিত্বকারী প্রতিনিধি কনস্টান্টিনোস কম্বোস ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাগচির সঙ্গে আলোচনায় এই সমঝোতাকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনাও তুলে ধরেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলোচনায় বলেন, এই সমঝোতা অর্থনৈতিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। একইসঙ্গে তিনি জানান, এর বাস্তবায়নের মাধ্যমে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইও ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, বেইজিং ইরানের ‘ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবির’ প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে।
তিনি আরও বলেন, শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, বরং সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান সম্ভব।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি চীনের ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই সমঝোতা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিশেষ করে আঞ্চলিক সংঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য।
arif 



















