ইরানের জাতীয় অবকাঠামোর ওপর যেকোনো ধরনের হামলা চালানো হলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর পাল্টা জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ বাকের জোলঘাদর।
শুক্রবার (১০ জুলাই) মেহের নিউজের বরাত দিয়ে আনাদুলু প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এক বিবৃতিতে মোহাম্মদ বাকের জোলঘাদর বলেন, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর যেকোনো হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। তিনি দাবি করেন, এ ধরনের হামলার জন্য দায়ীদের ইরানের পাল্টা অভিযানের মুখোমুখি হতে হবে।
গত সপ্তাহে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। এর আগে গত ১৭ জুন উভয় পক্ষ একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছিল, যার লক্ষ্য ছিল এপ্রিলের যুদ্ধবিরতিকে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ তৈরি করা। তবে সাম্প্রতিক সংঘাত সেই প্রক্রিয়াকে আবারও অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে।
ইরানের দাবি, বুধবার গভীর রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ৯০টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর কথা জানালেও বাস্তবে কিছু বেসামরিক অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
তেহরানের অভিযোগ, রাজধানী তেহরান থেকে মাশহাদ পর্যন্ত সেতু ও রেল যোগাযোগে হামলা চালানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার মাশহাদে দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিকে দাফন করা হয়।
ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় এখন পর্যন্ত ১৭ জন নিহত হয়েছেন।
এদিকে উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক উদ্যোগও অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতির আরও অবনতি ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখতে কাতার মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলা ও সামরিক উত্তেজনার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হলেও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়া ঠেকানোর চেষ্টা চলছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















