কক্সবাজারের টেকনাফে ক্রসফায়ারে একরামুল হক হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
একই সঙ্গে আট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে এবং তিনজনকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
পরবর্তী শুনানি ২৫ আগস্ট
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন। তিনি মামলার অভিযোগ তুলে ধরে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণের আবেদন জানান।
শুনানি শেষে আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেপ্তার আসামিদের হাজিরের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৫ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে।
মামলার আসামিদের তালিকা
মামলায় আসামি করা হয়েছে—
- শেখ হাসিনা
- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল
- সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের
- সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ
- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম
- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন
- কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান
- মেজর রুহুল আমিন
- সেনা কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব
- সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি
- সেনা কর্মকর্তা আশিকুর রহমান
এর মধ্যে আবদুর রহমান বদি, আনোয়ার লতিফ খান ও মাহাবুব আলম অন্য মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন।
টেকনাফে একরামুল হত্যার ঘটনা
২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে কক্সবাজারের টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন একরামুল হক। তিনি টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন।
একরামুল হত্যার পর তার মেয়ের একটি অডিও রেকর্ড—“আব্বু তুমি কান্না করতেছ যে…” — ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
প্রতিবেদকের নাম 



















