ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
আলিফের একটি চোখের দৃষ্টি পুরোপুরি নষ্টের দাবি সারজিস আলমের বর্তমান সরকারের কার্যক্রম আগের ১৭ বছরের তুলনায় ভালো: আন্দালিব রহমান পার্থ গার্ড অব অনার গ্রহণের মধ্য দিয়ে বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি আন্তর্জাতিক ডিজিটাল লেনদেনে নতুন যুগ: পেপাল–পেওনিয়ার–স্ট্রাইপের সঙ্গে অংশীদারত্বের পথ খুলল প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের অপেক্ষায় ভারত, সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকারের হাসপাতালে ভর্তি ৯৯ শতাংশ শিশুই হামের টিকা পায়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল হাসিমাখা সেই তাহসিন মাদরাসাছাত্রকে যৌন নির্যাতন অভিযুক্তকে গণপিটুনি থেকে বাঁচাতে গিয়ে ৮ পুলিশ সদস্য আহত ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৫৩৪ ‘বিশ্বকাপ কোনো পণ্য নয়, ফুটবল বিক্রির অধিকার ফিফার নেই’: উয়েফা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

জামালপুর মেয়াদ শেষ হলেও শেষ হয়নি সড়ক মেরামতের কাজ, ভেঙে পড়েছে স্লোপ ড্রেন

  • arif
  • আপডেটের সময়: ১১:০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ১৭ সময় দেখুন

জামালপুরের ইসলামপুরে সরকারের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন একটি সড়ক মেরামত প্রকল্পের নির্ধারিত সময় শেষ হলেও কাজ শেষ হয়নি। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের আগেই সড়কে নির্মিত পানি নিষ্কাশনের ঢালু নালা (স্লোপ ড্রেন) ভেঙে পড়েছে। এ ঘটনায় কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ও ত্রুটিপূর্ণ কাজের কারণেই নির্মাণের কিছুদিনের মধ্যেই স্লোপ ড্রেনগুলো ভেঙে পড়েছে। একই সঙ্গে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে স্থানীয়দের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, সড়কে পর্যাপ্ত ঢাল না থাকায় স্লোপ ড্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইসলামপুর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোয়ালেরচর ইউনিয়নের মালমারা বাজার-নাপিতেরচর বাজার পাকা সড়কের দুই কিলোমিটার অংশ মেরামতের জন্য সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে (জিওবি) ৬৭ লাখ ১১ হাজার টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। কার্যাদেশ অনুযায়ী সড়ক মেরামতের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের জন্য ২০টি স্লোপ ড্রেন নির্মাণের কথা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতির বিদায়ে বিএনপির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া নেই, মর্যাদাপূর্ণ দায়িত্ব পালনের প্রশংসা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

এলজিইডির তত্ত্বাবধানে টেন্ডারের মাধ্যমে স্থানীয় বিএনপির এক নেতার মালিকানাধীন মেসার্স সুফিয়া এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সড়কটি মেরামতের কাজ পায়। চলতি বছরের গত জানুয়ারি মাসে সড়ক মেরামতের কাজ শুরু করার কথা ছিল। ইতিমধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে প্রকল্পের প্রায় ২০ লাখ টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

সম্প্রতি সরেজমিন দেখা যায়, মালমারা বাজার থেকে কুমিরদহ-খয়দিয়ারচর হয়ে নাপিতেরচর বাজার সড়কের বিভিন্ন স্থানে মেরামতের কাজ হয়েছে। সড়কের ওপর জমে থাকা বৃষ্টির পানি দ্রুত অপসারণের জন্য অন্তত ১১টি স্লোপ ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এর অধিকাংশই ইতিমধ্যে ভেঙে পড়েছে।

কুমিরদহ এলাকার আবু তাহেরের বাড়ির উত্তর পাশে নির্মিত স্লোপ ড্রেনের বড় অংশ ধসে গেছে। একই সঙ্গে সেখানে সড়কে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া কুমিরদহ বাজার, কুমিরদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকা, জাফরের বাড়ি, সাদা প্রামাণিকের বাড়ি এবং খয়দিয়ারচর পশ্চিমপাড়া মোড় এলাকায় নির্মিত একাধিক স্লোপ ড্রেনও ভেঙে পড়েছে।

আরও পড়ুনঃ  দরুদ পড়লে যেভাবে দূর হয় দুশ্চিন্তা

স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল মেম্বার, আজহারুল, সাদা প্রামাণিক ও আবু জাফর জানান, দুই-তিন মাস আগে স্লোপ ড্রেনগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল। নিম্নমানের কাজের কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই সেগুলো ভেঙে গেছে। ফলে ধীরে ধীরে সড়কের মূল অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সুফিয়া এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী, উপজেলা বিএনপির সহকোষাধ্যক্ষ ও চিনাডুলী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আজগর আলী বলেন, ‘কাজটি সাব-কন্ট্রাক্টে দেওয়া হয়েছে। অন্য কাজে ব্যস্ত থাকায় আমি নিয়মিত কাজ তদারকি করতে পারিনি। তবে কর্তৃপক্ষের কাছে কাজ হস্তান্তরের আগে কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা ঠিকাদারকেই মেরামত করতে হবে। স্লোপ ড্রেন বা সড়কের কোথাও ক্ষতি হলে সাব-কন্ট্রাক্টর তা ঠিক করে দেবেন।’

আরও পড়ুনঃ  আলিফের একটি চোখের দৃষ্টি পুরোপুরি নষ্টের দাবি সারজিস আলমের

সাব-কন্ট্রাক্টর মোহাম্মদ সবুজের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘সড়কে পর্যাপ্ত ঢাল না থাকায় কয়েকটি স্লোপ ড্রেন ভেঙে গেছে। এগুলো পুনর্নির্মাণ করা হবে। এখনো প্রকল্পের প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ বাকি রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে এখন পর্যন্ত ২০ লাখ টাকা বিল দেওয়া হয়েছে। গত ৩০ জুন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে। মেয়াদ বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে।’

উপজেলা প্রকৌশলী মো. তোফায়েল আহমেদ মিয়া বলেন, ‘কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন না হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পূর্ণাঙ্গ বিল পরিশোধ করা হবে না। প্রয়োজনে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

আলিফের একটি চোখের দৃষ্টি পুরোপুরি নষ্টের দাবি সারজিস আলমের

জামালপুর মেয়াদ শেষ হলেও শেষ হয়নি সড়ক মেরামতের কাজ, ভেঙে পড়েছে স্লোপ ড্রেন

আপডেটের সময়: ১১:০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

জামালপুরের ইসলামপুরে সরকারের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন একটি সড়ক মেরামত প্রকল্পের নির্ধারিত সময় শেষ হলেও কাজ শেষ হয়নি। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের আগেই সড়কে নির্মিত পানি নিষ্কাশনের ঢালু নালা (স্লোপ ড্রেন) ভেঙে পড়েছে। এ ঘটনায় কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ও ত্রুটিপূর্ণ কাজের কারণেই নির্মাণের কিছুদিনের মধ্যেই স্লোপ ড্রেনগুলো ভেঙে পড়েছে। একই সঙ্গে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে স্থানীয়দের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, সড়কে পর্যাপ্ত ঢাল না থাকায় স্লোপ ড্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইসলামপুর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোয়ালেরচর ইউনিয়নের মালমারা বাজার-নাপিতেরচর বাজার পাকা সড়কের দুই কিলোমিটার অংশ মেরামতের জন্য সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে (জিওবি) ৬৭ লাখ ১১ হাজার টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। কার্যাদেশ অনুযায়ী সড়ক মেরামতের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের জন্য ২০টি স্লোপ ড্রেন নির্মাণের কথা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  দরুদ পড়লে যেভাবে দূর হয় দুশ্চিন্তা

এলজিইডির তত্ত্বাবধানে টেন্ডারের মাধ্যমে স্থানীয় বিএনপির এক নেতার মালিকানাধীন মেসার্স সুফিয়া এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সড়কটি মেরামতের কাজ পায়। চলতি বছরের গত জানুয়ারি মাসে সড়ক মেরামতের কাজ শুরু করার কথা ছিল। ইতিমধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে প্রকল্পের প্রায় ২০ লাখ টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

সম্প্রতি সরেজমিন দেখা যায়, মালমারা বাজার থেকে কুমিরদহ-খয়দিয়ারচর হয়ে নাপিতেরচর বাজার সড়কের বিভিন্ন স্থানে মেরামতের কাজ হয়েছে। সড়কের ওপর জমে থাকা বৃষ্টির পানি দ্রুত অপসারণের জন্য অন্তত ১১টি স্লোপ ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এর অধিকাংশই ইতিমধ্যে ভেঙে পড়েছে।

কুমিরদহ এলাকার আবু তাহেরের বাড়ির উত্তর পাশে নির্মিত স্লোপ ড্রেনের বড় অংশ ধসে গেছে। একই সঙ্গে সেখানে সড়কে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া কুমিরদহ বাজার, কুমিরদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকা, জাফরের বাড়ি, সাদা প্রামাণিকের বাড়ি এবং খয়দিয়ারচর পশ্চিমপাড়া মোড় এলাকায় নির্মিত একাধিক স্লোপ ড্রেনও ভেঙে পড়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ১০ আগস্ট প্রকাশ হবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল

স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল মেম্বার, আজহারুল, সাদা প্রামাণিক ও আবু জাফর জানান, দুই-তিন মাস আগে স্লোপ ড্রেনগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল। নিম্নমানের কাজের কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই সেগুলো ভেঙে গেছে। ফলে ধীরে ধীরে সড়কের মূল অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সুফিয়া এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী, উপজেলা বিএনপির সহকোষাধ্যক্ষ ও চিনাডুলী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আজগর আলী বলেন, ‘কাজটি সাব-কন্ট্রাক্টে দেওয়া হয়েছে। অন্য কাজে ব্যস্ত থাকায় আমি নিয়মিত কাজ তদারকি করতে পারিনি। তবে কর্তৃপক্ষের কাছে কাজ হস্তান্তরের আগে কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা ঠিকাদারকেই মেরামত করতে হবে। স্লোপ ড্রেন বা সড়কের কোথাও ক্ষতি হলে সাব-কন্ট্রাক্টর তা ঠিক করে দেবেন।’

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতির বিদায়ে বিএনপির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া নেই, মর্যাদাপূর্ণ দায়িত্ব পালনের প্রশংসা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সাব-কন্ট্রাক্টর মোহাম্মদ সবুজের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘সড়কে পর্যাপ্ত ঢাল না থাকায় কয়েকটি স্লোপ ড্রেন ভেঙে গেছে। এগুলো পুনর্নির্মাণ করা হবে। এখনো প্রকল্পের প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ বাকি রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে এখন পর্যন্ত ২০ লাখ টাকা বিল দেওয়া হয়েছে। গত ৩০ জুন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে। মেয়াদ বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে।’

উপজেলা প্রকৌশলী মো. তোফায়েল আহমেদ মিয়া বলেন, ‘কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন না হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পূর্ণাঙ্গ বিল পরিশোধ করা হবে না। প্রয়োজনে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’