বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে নয়াদিল্লি। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ভারতে সফর করবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ সরকারের। তবে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে স্বাগত জানাতে ভারত অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে এটিই ছিল তার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর প্রসঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, “এটি সম্পূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব অগ্রাধিকার ও সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে আমরা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে স্বাগত জানানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। খুব শিগগিরই এই সফর বাস্তবায়িত হবে বলে আমরা আশাবাদী।”
তিনি জানান, বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনায় বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিভিন্ন বিষয়, দুই দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং জনপ্রিয় খেলা ক্রিকেট নিয়েও মতবিনিময় হয়।
ভারতীয় হাইকমিশনার আরও বলেন, বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ভিসা সেবা পুনরায় চালু হলে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ ও যাতায়াত আরও সহজ হবে, যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দেবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে সম্মেলনের বিশেষ অতিথি (Outreach Session) হিসেবে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে এ আমন্ত্রণ গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী দিল্লি সফর করবেন কি না, সে বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
প্রতিবেদকের নাম 




















