ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সূচকের বড় পতনে পুঁজিবাজারে ধস, লেনদেন নেমে এল হাজার কোটি টাকার নিচে ১৭ বছর পর ইংল্যান্ডে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ বিটিভির আয় ৮ কোটি, ব্যয় ২৫৪ কোটি টাকা: সংসদে তথ্যমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে কোনো রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংক অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ১৫ শতাংশ ভাড়া ছাড় ঘোষণা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ইউএই-র কাছে ব্রহ্মস মিসাইল বিক্রির আলোচনা চালাচ্ছে ভারত আসিয়ানের মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কাজ করবে মালয়েশিয়া: আনোয়ার ইব্রাহিম  চলন্ত মোটরসাইকেলে ইট নিক্ষেপে আহত রাফির ১২ দিন পর মৃত্যু  জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, কলেজ শিক্ষার্থী আটক  চট্টগ্রাম বন্দরে আরটিজি ক্রেনে আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

জিয়াউলের নেতৃত্বে ‘কিলিং নেটওয়ার্ক’ সক্রিয় ছিল: চিফ প্রসিকিউটর

শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় আলোচিত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে একটি ‘কিলিং নেটওয়ার্ক’ সক্রিয় ছিল বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

রোববার ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, র‍্যাবের টিএফআই সেল থেকে দুজন আসামিকে নিয়ে জিয়াউলের নেতৃত্বে একটি দল জাফলংয়ে যায়। সেখানে একজন সাক্ষীসহ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। পরে জাফলং এলাকায় ভারত থেকে সাদা পোশাকের কিছু লোক ওই দুই ব্যক্তিকে নিয়ে আসে এবং তাদের হস্তান্তর করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সভাপতি রতন, সম্পাদক হিরন

তিনি আরও বলেন, সাক্ষীর বিবরণ অনুযায়ী, ভারত থেকে আনা দুই ব্যক্তিকে পরে রাস্তায় মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়। কারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল তা নিয়ে তদন্ত চলছে।

আমিনুল ইসলাম দাবি করেন, এই ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে একটি ‘কিলিং নেটওয়ার্ক’ গড়ে উঠেছিল, যা ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে বিস্তৃত ছিল। তবে ভারত থেকে সাদা পোশাকে আসা ব্যক্তিদের পরিচয় এবং নিহতদের নাগরিকত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুনঃ   বিশ্বকাপে রাতে মুখোমুখি ফ্রান্স–ইরাক, এমবাপ্পে ঝড়ের অপেক্ষা

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত শতাধিক গুম ও হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় এক সেনা কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন। তার সাক্ষ্যে বেশ কয়েকটি আলোচিত ঘটনার বিস্তারিত উঠে এসেছে, যার মধ্যে জিয়াউলের জাফলং অপারেশনও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বেনজীরকে দেশে ফেরাতে দুবাইয়ে প্রত্যর্পণ আবেদন পাঠিয়েছে সরকার

তিনি আরও জানান, বিডিআরের কয়েকজন সদস্যকে বিভিন্ন সময় আটক করে দুটি পদ্ধতিতে হত্যা করা হয়েছে বলে সাক্ষ্যে বলা হয়েছে। এর মধ্যে ইনজেকশন পুশ করে হত্যা এবং মাথায় গুলি করে নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনা উল্লেখ রয়েছে। প্রায় ১০ থেকে ১২ জন বিডিআর সদস্য এভাবে নিহত হয়েছেন বলে সাক্ষ্যতে উঠে এসেছে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

সূচকের বড় পতনে পুঁজিবাজারে ধস, লেনদেন নেমে এল হাজার কোটি টাকার নিচে

জিয়াউলের নেতৃত্বে ‘কিলিং নেটওয়ার্ক’ সক্রিয় ছিল: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেটের সময়: ০৯:৫২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় আলোচিত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে একটি ‘কিলিং নেটওয়ার্ক’ সক্রিয় ছিল বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

রোববার ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, র‍্যাবের টিএফআই সেল থেকে দুজন আসামিকে নিয়ে জিয়াউলের নেতৃত্বে একটি দল জাফলংয়ে যায়। সেখানে একজন সাক্ষীসহ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। পরে জাফলং এলাকায় ভারত থেকে সাদা পোশাকের কিছু লোক ওই দুই ব্যক্তিকে নিয়ে আসে এবং তাদের হস্তান্তর করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  জেলা-উপজেলায় ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

তিনি আরও বলেন, সাক্ষীর বিবরণ অনুযায়ী, ভারত থেকে আনা দুই ব্যক্তিকে পরে রাস্তায় মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়। কারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল তা নিয়ে তদন্ত চলছে।

আমিনুল ইসলাম দাবি করেন, এই ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে একটি ‘কিলিং নেটওয়ার্ক’ গড়ে উঠেছিল, যা ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে বিস্তৃত ছিল। তবে ভারত থেকে সাদা পোশাকে আসা ব্যক্তিদের পরিচয় এবং নিহতদের নাগরিকত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে রাকসু জিএসের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত শতাধিক গুম ও হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় এক সেনা কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন। তার সাক্ষ্যে বেশ কয়েকটি আলোচিত ঘটনার বিস্তারিত উঠে এসেছে, যার মধ্যে জিয়াউলের জাফলং অপারেশনও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  দুর্ঘটনায় আহত অভিনেতা জোভান, জানালেন ভয়াবহ অভিজ্ঞতা

তিনি আরও জানান, বিডিআরের কয়েকজন সদস্যকে বিভিন্ন সময় আটক করে দুটি পদ্ধতিতে হত্যা করা হয়েছে বলে সাক্ষ্যে বলা হয়েছে। এর মধ্যে ইনজেকশন পুশ করে হত্যা এবং মাথায় গুলি করে নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনা উল্লেখ রয়েছে। প্রায় ১০ থেকে ১২ জন বিডিআর সদস্য এভাবে নিহত হয়েছেন বলে সাক্ষ্যতে উঠে এসেছে।