জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সচেতন করবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে নিয়েও তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।
মঙ্গলবার চলমান জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন শেষে স্পিকার বলেন, এই জাদুঘর যতদিন থাকবে, মানুষ এখানে এসে অতীতের দমন-পীড়নের ঘটনাগুলো স্মরণ করবে এবং স্বৈরাচারী রাজনীতির বিরুদ্ধে ঘৃণা প্রকাশ করবে।
তার দাবি, জুলাই আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডের নির্দেশনার বিভিন্ন প্রমাণ ও কলরেকর্ড জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা সরাসরি সহিংসতার নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং ইতিহাসে এসব ঘটনার জন্য সমালোচিত হয়ে থাকবেন।
স্পিকারের ভাষায়, এই জাদুঘর প্রমাণ করবে যে বাংলাদেশের জনগণ কখনো স্বৈরাচারকে মেনে নেয় না। গণতন্ত্র ও অধিকার রক্ষায় মানুষ জীবন দিতেও প্রস্তুত থাকে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক চেতনায় অনুপ্রাণিত করবে।
পরিদর্শনকালে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, “জুলাই জাদুঘর হবে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের প্রতীক।”
এ সময় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় জানান, আগামী জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ অথবা আগস্টের শুরুতে জাদুঘরটি সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হতে পারে।
জাদুঘর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেও ধন্যবাদ জানান স্পিকার।
প্রতিবেদকের নাম 

























