
চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হয়েছে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে। রোববার (৩ মে) সকালে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্মেলনে প্রশাসনকে আরও জনমুখী, স্বচ্ছ ও কার্যকর করার বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমুল গনি বলেন, জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে কর্মকর্তাদের আরও জনবান্ধব হয়ে সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। তিনি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি, ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণ, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ এবং কৃষি সহায়তা কার্যক্রমে জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন।
সম্মেলনে বিভিন্ন জেলার প্রশাসকরা নিজ নিজ এলাকার সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন। পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেন। অন্যদিকে, উপকূলীয় অঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নে কক্সবাজারে সমন্বিত মেরিন ড্রাইভ ও সুরক্ষা বাঁধ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী বলেন, জেলার উন্নয়ন কার্যক্রমে জেলা প্রশাসকরাই মূল সমন্বয়কারী। তাই প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সিদ্ধান্ত গ্রহণে অযথা বিলম্ব পরিহার করতে হবে।
এ সময় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, সরকারি সেবা যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে জনগণের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে শোনা এবং দ্রুত সমাধানের ওপর জোর দেন তিনি।
এবারের ডিসি সম্মেলনে ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ অংশ নিয়েছে। আগামী ৬ মে পর্যন্ত চলা এই সম্মেলনে মোট ৩৪টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। জেলা প্রশাসকদের দেওয়া ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাবের মধ্যে ৪৯৮টি প্রস্তাব আলোচনার জন্য নির্ধারিত হয়েছে। স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন এবং গুজব প্রতিরোধ বিষয়ক প্রস্তাবগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।





















