প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ভবিষ্যতে যেন কোনো স্বৈরাচারী শক্তি বা ফ্যাসিবাদ পুলিশ বাহিনীকে দেশের জনগণ ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ইতিহাসে রাজারবাগ পুলিশের আত্মত্যাগ জাতির জন্য গৌরবের অধ্যায়। সেই চেতনা ধারণ করেই পুলিশ সদস্যদের জনগণের সেবায় কাজ করতে হবে।
রোববার রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতার সূচনালগ্নে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশের প্রতিরোধ ছিল সাহসিকতা ও আত্মদানের উজ্জ্বল উদাহরণ। একই সময়ে চট্টগ্রামে স্বাধীনতার পক্ষে ঘোষণাও মুক্তিযুদ্ধের গতিপথকে শক্তিশালী করেছিল। তিনি মনে করেন, সে সময়ের রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতি নিয়ে এখনো গবেষণার সুযোগ রয়েছে।
পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন, সহিংসতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাওয়া দেশের মানুষ এখন শান্তি ও নিরাপত্তা চায়। আর সেই প্রত্যাশা পূরণে পুলিশের পেশাদার ও মানবিক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচন প্রমাণ করেছে যে বাংলাদেশ পুলিশ চাইলে দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম। দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশ সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে নারী পুলিশ সদস্যদের অবদান আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, পুলিশ বাহিনী জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের মাধ্যমে একটি মানবিক, আধুনিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রতিবেদকের নাম 

























