বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে স্পেন ও আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মধ্যে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের ঘটনায় আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ম্যাচ-পরবর্তী শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে একজন তদন্তকারীও নিয়োগ করা হয়েছে।
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন ১-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরই মাঠে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে স্প্যানিশ ফুটবলাররা শিরোপা উদযাপনে মেতে উঠলেও, আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা এবং ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়।
ঘটনার পর এক বিবৃতিতে ফিফা জানায়, বিশ্বকাপ ফাইনালের ম্যাচ রিপোর্ট পর্যালোচনা করে ফিফা ডিসিপ্লিনারি কোডের ৩৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। তদন্তকারী তার প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর সম্ভাব্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, স্পেনের ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। একপর্যায়ে তিনি গার্সিয়াকে ঘুষি মারেন বলে অভিযোগ ওঠে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।
সতীর্থকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন স্পেনের গাভি। তবে তাকে ধাক্কা দেন আর্জেন্টিনার থিয়াগো আলমাদা। পরে পারেদেসের আঘাতে গাভি মাটিতে পড়ে গেলেও দ্রুত উঠে দাঁড়ান।
এদিকে স্পেন অধিনায়ক রদ্রির সঙ্গেও ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন পারেদেস ও নাহুয়েল মোলিনা। ভিডিওতে আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালাকে স্পেনের দানি ওলমোর দিকে আক্রমণাত্মক আচরণ করতেও দেখা যায়।
পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আগেই আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি এবং দুই দলের কয়েকজন খেলোয়াড় দ্রুত এগিয়ে এসে সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করেন। তবে এই ঘটনার জেরে উভয় দলের সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদকের নাম 

























