রাজস্ব ঘাটতি কমিয়ে আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ১১টি মেইল ও লোকাল ট্রেন বেসরকারি অপারেটরদের কাছে ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে চারটি ট্রেনের দরপত্র দাখিল সম্পন্ন হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য ট্রেনগুলোরও দরপত্র আহ্বান করা হবে।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, পার্বতীপুর-রংপুর রুটের ‘রমনা কমিউটার’, বোনারপাড়া জংশন-পার্বতীপুর রুটের ‘রামসাগর মেইল’, লালমনিরহাট-বুড়িমারী রুটের ‘বুড়িমারী কমিউটার’ এবং পার্বতীপুর-লালমনিরহাট রুটের ‘লালমনি কমিউটার’ ট্রেনের দরপত্র দাখিল হয়েছে।
পরবর্তী সময়ে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ রুটে চলাচলকারী ‘পূর্নভবা’ ও ‘মল্লিকা’ ট্রেনের দরপত্র আহ্বান করা হবে।
বেসরকারি অপারেটরে চলছে ২৪ ট্রেন
বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে বর্তমানে ছয়টি আন্তর্জাতিক, ৬২টি আন্তনগর, ৫৫টি মেইল ও কমিউটার এবং ১২টি লোকাল ট্রেন চলাচল করছে।
এর মধ্যে ২৪টি মেইল, কমিউটার ও লোকাল ট্রেন বেসরকারি অপারেটরদের কাছে ইজারা দেওয়া হয়েছে। এসব ট্রেন থেকে প্রতি মাসে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আয় করছে রেলওয়ে।
কর্তৃপক্ষের আশা, আরও ১১টি মেইল ও লোকাল ট্রেন বেসরকারি অপারেটরদের কাছে হস্তান্তর করা হলে রাজস্ব বাড়বে এবং লোকসান কমবে।
টিকিট না কাটায় রাজস্ব ক্ষতি
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, লোকাল ট্রেন থেকে তুলনামূলক কম আয় হয়। এর অন্যতম কারণ যাত্রীদের টিকিট কেনার অনীহা।
তিনি বলেন, রাজস্ব বৃদ্ধি ও সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যেই ১১টি মেইল ও লোকাল ট্রেন ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় সব মেইল ও লোকাল ট্রেনে যথাযথভাবে টিকিট পরীক্ষা করা সম্ভব হয় না। এতে রেলের বিপুল রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে।
আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া জানান, ইতোমধ্যে চারটি ট্রেনের দরপত্র দাখিল হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য ট্রেনগুলোর দরপত্রও আহ্বান করা হবে। বর্তমানে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে সাত জোড়া অর্থাৎ ১৪টি ট্রেন বেসরকারিভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
প্রতিবেদকের নাম 
























