
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রায় ১২ কোটি টাকার সরকারি জমি দখলের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, চেয়ারম্যান দোকান, হোটেল, অফিস, আড্ডাখানা ও কবুতরের ঘর নির্মাণ করে সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল করেছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আসে এবং তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
গঠিত ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি মঙ্গলবার (১৬ জুন) সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে প্রাথমিক তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে।
তদন্ত কমিটিতে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, ভূমি অফিস ও থানার কর্মকর্তারা রয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান অভিযোগ অস্বীকার না করে দাবি করেন, শুধু তিনি নন—অন্যান্য দখলদারদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
সব মিলিয়ে, সরকারি জমি দখল সংক্রান্ত এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় নতুন করে আলোচনা ও প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















