Dhaka ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ঈদুল আজহায় সরকারি ছুটি ৭ দিন “বিএনপি নেতৃত্ব নিয়ে এনসিপি নেতার বিস্ফোরক মন্তব্য: ‘দল এখন হাইজ্যাক’” বিএনপির অনেকেই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ ঈদ পর্যন্ত রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে দোকানপাট বগুড়া সিটি কর্পোরেশন হচ্ছে, গঠিত হচ্ছে নতুন পাঁচ উপজেলা—নিকার সভায় বড় সিদ্ধান্ত হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা স্বচ্ছভাবে তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ৭ জুন শুরু হচ্ছে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন ক্যাম্পাসের পরিচিত মুখ সাদিক কায়েম, এবার জীবনের নতুন যাত্রায় “অপেক্ষা করুন, অভিযান চলছে”—আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য খাল খনন শুধু কর্মসূচি নয়, এটি একটি আন্দোলন ও বিপ্লব—পানিসম্পদমন্ত্রী এ্যানি

হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধি, ইরানি নৌযান ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

 

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার নিয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, সাম্প্রতিক সংঘাতে তারা ইরানের কয়েকটি দ্রুতগতির নৌযান ধ্বংস করেছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার চেষ্টা প্রতিহত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নতুন নৌ-অভিযান শুরুর পর প্রণালিতে জাহাজ চলাচল পুনরায় সচল করার প্রচেষ্টায় বাধা দিতে গিয়ে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’, যা শুরু করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আরও পড়ুনঃ  টিকা সংকট ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতায় হামের ভয়াবহতা, একদিনে ১৭ শিশুর মৃত্যু

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের সামরিক শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌকা ব্যবহার করে মার্কিন সুরক্ষায় থাকা জাহাজগুলোর ওপর হামলার চেষ্টা চালায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কারণে এসব আক্রমণ ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  কুমিল্লায় বিএনপি নেতাকে আটকের পর থানা ঘেরাও, উত্তেজনা

অভিযানে বিপুল সামরিক শক্তি মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। এর মধ্যে রয়েছে হাজার হাজার সেনা, যুদ্ধজাহাজ, আকাশ ও সমুদ্রভিত্তিক উড়োজাহাজ এবং সাবমেরিনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম।

অন্যদিকে, ইরান এসব দাবি পুরোপুরি অস্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো নৌযান ধ্বংস হয়নি এবং প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলও স্বাভাবিক হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির বাদপড়া শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনে বাড়তি সময়

বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে উত্তেজনা বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রভাব পড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে তেল ও গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

সব মিলিয়ে, সামরিক তৎপরতার পাশাপাশি কূটনৈতিক উত্তেজনাও বাড়ছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় উদ্বেগ হয়ে উঠেছে।


Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ঈদুল আজহায় সরকারি ছুটি ৭ দিন

হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধি, ইরানি নৌযান ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেটের সময়: ১০:২২:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

 

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার নিয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, সাম্প্রতিক সংঘাতে তারা ইরানের কয়েকটি দ্রুতগতির নৌযান ধ্বংস করেছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার চেষ্টা প্রতিহত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নতুন নৌ-অভিযান শুরুর পর প্রণালিতে জাহাজ চলাচল পুনরায় সচল করার প্রচেষ্টায় বাধা দিতে গিয়ে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’, যা শুরু করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আরও পড়ুনঃ  কুমিরের পেটে মিলল হোটেল ব্যবসায়ীর দেহাংশ, আতঙ্কে দক্ষিণ আফ্রিকা

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের সামরিক শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌকা ব্যবহার করে মার্কিন সুরক্ষায় থাকা জাহাজগুলোর ওপর হামলার চেষ্টা চালায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কারণে এসব আক্রমণ ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বাংলা-ইংরেজি ও গণিতে দক্ষতা না হলে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে মন্ত্রণালয়

অভিযানে বিপুল সামরিক শক্তি মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। এর মধ্যে রয়েছে হাজার হাজার সেনা, যুদ্ধজাহাজ, আকাশ ও সমুদ্রভিত্তিক উড়োজাহাজ এবং সাবমেরিনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম।

অন্যদিকে, ইরান এসব দাবি পুরোপুরি অস্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো নৌযান ধ্বংস হয়নি এবং প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলও স্বাভাবিক হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা: অল্প বৃষ্টিতেই নগরজীবনের স্থবিরতা ও দীর্ঘস্থায়ী ব্যর্থতা

বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে উত্তেজনা বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রভাব পড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে তেল ও গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

সব মিলিয়ে, সামরিক তৎপরতার পাশাপাশি কূটনৈতিক উত্তেজনাও বাড়ছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় উদ্বেগ হয়ে উঠেছে।