
মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও জোরদার করার ইঙ্গিত দিয়েছে তুরস্ক। ইস্তাম্বুলে আয়োজিত একটি প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে দেশটি নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) মডেল উপস্থাপন করেছে।

‘ইয়িলদিরিমহান’ নামের এই ক্ষেপণাস্ত্রটির ধারণা অনুযায়ী এর পাল্লা প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে এবং এটি সর্বোচ্চ ৩ হাজার কেজি ওজনের ওয়ারহেড বহনে সক্ষম। তবে এর উৎপাদন ও পরীক্ষার সময়সূচি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে তুরস্কের দূরপাল্লার হামলা সক্ষমতা আর

ও বাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একই প্রদর্শনীতে তুরস্কের ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বায়কার কম খরচের কয়েকটি নতুন ‘কামিকাজে’ ড্রোনও উপস্থাপন করে। এসব ড্রোন একসঙ্গে ব্যবহারের মাধ্যমে শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
এছাড়া তুরস্কের প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান আসেলসান তাদের ‘স্টিল ডোম’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নতুন সংস্করণও প্রদর্শন করেছে, যা আগামী সময়ে সেনাবাহিনীতে সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্কের এই সাম্প্রতিক সামরিক উন্নয়ন ন্যাটো জোটের ভেতরেও গুরুত্বসহকারে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিশেষ করে ড্রোন প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে দেশটি ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি উন্নয়ন এখনো জটিল ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ একটি ক্ষেত্র। তুরস্কের জন্য এ ক্ষেত্রে পূর্ণ সক্ষমতা অর্জনে সময় ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।





















